সামিয়া আক্তারের বসবাস রাজধানীর কাঁঠালবাগান এলাকায়। ২৫ বছর বয়সী সামিয়া সদ্য মা হয়েছেন। স্বামী-সন্তান নিয়ে বেশ ভালোই চলছিল তার। তবে কিছুটা আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে গর্ভাবস্থায় সব নিয়ম মেনে চলতে পারেননি তিনি।
বিষয়টি সামিয়া সবার সাথে শেয়ারও করতে পারেননি। সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় তার শরীরে কিছু জটিলতাও সৃষ্টি হয়। সন্তান ভুমিষ্ঠ হওয়ার কিছু দিন পর বিষয়টি নিজের পারিবারিক পরিচিত এক ডাক্তারের কাছে খুলে বলেন। ডাক্তার সব শুনে বুঝলেন যে গর্ভাবস্থায় যতগুলো টিকা নেয়া দরকার কিংবা যে নিয়মগুলো মেনে চলা দরকার ছিল তা করতে পারেননি সামিয়া।
নারী গর্ভধারণ করার সাথে সাথে তার স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর দেয়া প্রয়োজন। সুস্থ সন্তান জন্ম দিতে প্রয়োজন নারীর সুস্বাস্থ্য।
কমিউনিটি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো: শহীদুল্লাহ বলেন, ‘নারীর সু-স্বাস্থ্য নিশ্চিতের পাশাপাশি গর্ভের শিশু ও নবজাতকের জন্য কিছু টিকা বিশেষভাবে প্রয়োজন। হাম, রুবেলা ও ধনুস্টংকার প্রতিরোধে টিটি টিকাসহ কয়েকটি টিকা এর মধ্যে অন্যতম।’
তিনি বলেন, ‘অন্তঃসত্বা অবস্থায় একজন নারীর জন্য এজমার টিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্তঃসত্বা অবস্থায় কোনো নারী রুবেলা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে গর্ভস্ত শিশুর গুরুতর কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা, চোখে ছানি, মাথা ছোট, বধিরতা- এসব সমস্যা নিয়ে শিশুর জন্ম হতে পারে। একে বলে জন্মগত রুবেলা সিনড্রোম। যেকোনো শিশুর বয়স নয় মাস পূর্ণ হলে প্রথম ডোজ ও ১৫ মাস পূর্ণ হলে দ্বিতীয় ডোজ এমআর টিকা নিতে হয়।’