সুমন আহমেদ সাবির আরও বলেন, এনআইডির এমন তথ্য ফাঁসের ঘটনায় একটা ব্যাপার সামনে এসেছে-সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিরাপত্তার আরও একটি স্তর বাড়াতে হবে। শুধু জাতীয় পরিচয়পত্রের ওপর ভরসা করে সেবা দেওয়া যাবে না। বিশেষ করে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো।
তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ তানভির হাসান জোহা বলেন, আমি মনে করি, ঝুঁকি সামাল দেওয়ার বিষয়টি রাষ্ট্রীয় ব্যাপার। এ বিষয়ে নাগরিক বা প্রতিষ্ঠানের কিছু করার নেই। কারণ রাষ্ট্র কিন্তু নাগরিকদের তথ্যভান্ডারের দায়িত্ব নিয়েছে। আর অফিশিয়ালি এই তথ্যের মালিক নির্বাচন কমিশন। সরকারের উচিত তদন্ত কমিটি করা এবং এই তথ্যের সঠিকতা যাচাই করা। পাশাপাশি ভালনারেবিলিটি অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাম্পারিশন টেস্টিং এবং এই সংবেদনশীল সব তথ্যকে সিকিউরিটি অপারেশন সেন্টারের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা।
তথ্যের সুরক্ষায় আইন প্রণয়নের কথা বললেন মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এসব থেকে রক্ষা পেতে তথ্যপ্রযুক্তি সুরক্ষাসেবায় দ্রুত আইন প্রণয়ন করতে হবে। তথ্য হাতিয়ে নেওয়া ব্যক্তি এবং সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হওয়া ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সাইবার নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তায় উন্নত প্রযুক্তিবান্ধব