যদি উপরে উল্লেখিত দুইটি বা তার বেশি আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় তাহলে আপনি বংশগত টাক সমস্যায় ভুগছেন। মিনোডিক্সিল ট্রপিক্যাল সলিউশন ব্যবহারে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তবে কেউ কেউ মাথার তালুতে আলতোভাবে চুলকানিজনিত অস্বস্তি বোধ করতে পারেন।
সাধারণত সলিউশনটি ১৮ বছরের নিচে ও ৬৫ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সী ব্যক্তিদের ব্যবহার করা উচিত নয়।
মিনোডিক্সিল আসলে একটি ড্রপার বা মিক্স। এ মিক্সিট ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ব্যবহার করতে হয়। যারা চুলের সমস্যায় আক্রান্ত, তাদের মাথায় আক্রান্ত স্থানে ড্রপার দিয়ে ১ মিলি করে অথবা ৮ থেকে ১০টি স্প্রে দিয়ে দিনে দুইবার প্রয়োগ করতে হবে।
প্রতিদিন সকালে ও রাতে দুইবার মাথার ত্বকের উপরিভাগে চুলের হারানো অংশে প্রয়োগ করুন। রাতে ঘুমানোর দুই থেকে চার ঘণ্টা আগে ব্যবহার করতে হবে।
অবশ্যই এটা ব্যবহারের আগে মাথা ভালো করে শুকিয়ে নিতে হবে।
এ প্রক্রিয়ার ফল পেতে চার মাস সময় লাগে।
মিনোডিক্সিল ব্যবহারের একটি লক্ষণীয় দিক হলো রোগী নিজেই অনুধাবন করতে পারে এটা কাজ করছে কিনা, এটা ব্যবহারের দুই সপ্তাহের মধ্যে স্থায়ীভাবে চুল পড়া কিছুটা বেড়ে যেতে পারে। এর অর্থ এই যে, চুলের নতুন বৃদ্ধি পর্যায় শুরু হয়েছে, পুরনো চুলগুলো নতুন চুলকে জায়গা করে দিচ্ছে। এর কিছুদিনের মধ্যে অর্থাৎ চার মাস ব্যবহারের পরই নতুন চুল গজাতে থাকবে।
যাদের বংশগত টাক রয়েছে তাদের নতুন চুল গজানোর প্রক্রিয়া হিসেবে নিয়মিত ও রুটিনমাফিক ব্যবহার চালিয়ে যেতে হবে।
মিনোক্সিল ট্রপিক্যাল সলিউশন ব্যবহার করার পর চুল শুকালে আপনি স্প্রে জেল ও চুল রঙ করাতে পারেন।
কোমল ও সাধারণ শ্যাম্পো ব্যবহার করতে পারেন।
সর্বোত্তম চিকিৎসা হচ্ছে মিনোডিক্সিল ট্রপিক্যাল সলিউশনের সঙ্গে পিআরপি থেরাপি নেয়া।
ডা. এএসএম বকতিয়ার কামাল
চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ,
কামাল স্কিন সেন্টার- ০১৭১১৪৪০৫৫৮