আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট রাত ৮ টার দিকে, হোসেন শেখ ফরিদপুর সদরের নরসিংহদিয়া এলাকার পাকা রাস্তা দিয়ে ভ্যানে করে বাড়ি রহিমপুরে ফিরছিলেন। পথেমধ্যে তাদের ভ্যানের পথরোধ করে লাঠিসোঁটা দিয়ে মারপিট ও ধারালো ছ্যানদা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয় হোসেন শেখকে। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরবর্তীতে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এঘটনার তিনদিন পর ১৮ আগস্ট ফরিদপুরের কোতয়ালী থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন আহত হোসেন শেখের বাবা। হোসেন শেখ ফরিদপুর সদরের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের রহিমপুর এলাকার টুকু শেখের ছেলে।
পরবর্তীতে দীর্ঘ তদন্ত শেষে একই বছরের ২৮ ডিসেম্বর এ ঘটনায় মেহেদী মোল্যা ওরফে অরণ্যকে একমাত্র আসামী করে কোর্টে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আনিচুর রহমান। অতঃপর বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে দীর্ঘ তিন বছর পর কোর্ট এ রায় দিলেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) স্বপন কুমার পাল জানান, বাদীপক্ষ ন্যায় বিচার পেয়েছে। এ রায়ের ফলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে এবং দেশে আইনের শাসনের পথ সুগম হবে।