সমিতির সভাপতি মো: আবুল মনসুর চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোছাব্বির বকুলের উপস্থাপনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো: আবু জাহির, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো: হাসানুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোছা: জিলুফা সুলতানা, পুলিশ সুপার আক্তার হোসেন, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মো: হারুন-অর-রশিদ।
৫০ বছরের অধিককাল যাবত আইন পেশায় নিয়োজিত অ্যাডভোকেট মো: নুরুল আমিন, স্বদেশ রঞ্জন বিশ্বাস ও রনজিত কুমার দত্তকে স্বর্ণখচিত ক্রেস্ট ও সম্মাননা স্বারক প্রদান করা হয়।
তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে ন্যায় বিচারের ধারণা হয়েছে এরকম, নিজের পক্ষে রায় বা আদেশ গেলেই ন্যায় বিচার, বিপক্ষে গেলে অবিচার। এ ধরনের ধারণার পরিবর্তন করতে হবে। এ ধরনের ধারণার পরিবর্তনে সহযোগিতা করতে পারেন আইনজীবীরা।
প্রধান বিচারপতি বলেন, আইন পেশায় তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে জুডিসিয়াল প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে। তাতে আইনজীবীদের আচরণ কি হবে, বিচারকদের আচরণ কি হবে, ক্লায়েন্টদের কি আচরণ হবে তা সন্নিবেশিত থাকবে। একজন আইনজীবীর উচিৎ ন্যায় বিচারের প্রতি দায়বদ্ধ থাকা। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় আইনজীবীরা হচ্ছেন ভ্যানগার্ড।