calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / সারা বাংলা / তামিম‘পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে ছিল , গুলিতে লুটিয়ে পড়ে মাটিতে’
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

তামিম‘পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে ছিল , গুলিতে লুটিয়ে পড়ে মাটিতে’

‘১৮ জুলাই নরসিংদী শহরের জেলখানা মোড়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চলছিল। সে সময় তাহমিদ ভূঁইয়া তামিম হাতে পতাকা নিয়ে আমাদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ চারদিক থেকে গুলিবর্ষণ শুরু হয়। কোন ফাঁকে তার শরীরে গুলি লাগে সেটা...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ২৮ জুলাই ২০২৪ • সকাল ১০:৪৫
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২২৭ বার পঠিত

জানা যায়, নিহত তাহমিদ ভূঁইয়া তামিম নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুল অ্যান্ড হোমসের শিক্ষার্থী ছিল। পল্লীচিকিৎসক বাবা ও গৃহিণী মায়ের তিন সন্তানের মধ্যে সে সবার বড় ছিল। তামিমের ১৩ ও ৩ বছর বয়সী দুটি বোন রয়েছে।

তামিমের বাবা রফিবুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার দিন দুপুরে পরিবারের সবাই একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করি। হঠাৎ তামিম বাসা থেকে বের হয়ে যায়। পরে ওকে খুঁজতে বের হই। সে সময় কয়েকজন জানায়, তামিম জেলখানা মোড়ের দিকে গেছে। তখনই বুকের ভেতরে চিপ দিয়ে উঠে। কারণ সেখানে আন্দোলন চলছিল। ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় দশ মিনিটের মতো ছেলেকে খুঁজেছি। কিন্তু পাইনি।’

‘পরে এসপি অফিসের দিকে যখন যাই তখন দেখি, একটি ছেলে স্ট্রেচারে শুয়ে আছে। প্রথমে বুঝতে পারিনি সেটা তামিম। একটু কাছে গিয়ে দেখি আমার ছেলের মুখ। তখন মনে হচ্ছিল, পুরো আকাশ আমার মাথায় ভেঙে পড়েছে। পাগলের মতো ছুটে যাই ছেলের দিকে। কিন্তু, কয়েকজন শিক্ষার্থী আমাকে ধরে মসজিদের ভেতরে নিয়ে যায়। সে সময় গোলাগুলি শুরু হয়। আমার মৃত ছেলের শরীরে অনবরত গুলি লাগতে থাকে।’ - যোগ করেন তিনি।

রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘গোলাগুলি থামার পর ছেলের মরদেহ বাসায় নিয়ে আসি। কখনো কল্পনাও করিনি, আমার সুস্থ সবল ছেলেকে এই অবস্থায় বাসায় নিয়ে আসতে হবে।’

নরসিংদী জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মিজানুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা তামিমকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে। তারপরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্ত করার জন্য রাখতে চেয়েছিলাম কিন্তু শিক্ষার্থীরা তা করতে দেয়নি। মারা গেছে শোনার পরই হাসপাতালে ভাঙচুর চালায়।’

tag ট্যাগ: #111