calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / সারা বাংলা / ইন্টার্নশিপ করতে ঢাকায় গিয়ে মারুফ লাশ হয়ে ফেরেন
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

ইন্টার্নশিপ করতে ঢাকায় গিয়ে মারুফ লাশ হয়ে ফেরেন

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রাজধানীর বনশ্রীতে নিজের ভাড়া বাসার সামনে গুলিতে মারুফ হোসেন (২১) নিহত হন। একমাত্র ছেলের মৃত্যু সংবাদ বাড়িতে আসার পর একবারই চিৎকার করে কেঁদে উঠেছিলেন মা ময়না খাতুন। শোকে পাথর মা এরপর থেকে আর...

person
জেলা প্রতিনিধি verified
News Reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪ • বিকাল ০৩:৫০
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২২২ বার পঠিত

রোববার (২৮ জুলাই) দুপুরে মারুফের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, দুই কক্ষের টিনের ঘরের বারান্দায় মা ময়না খাতুন বসে আছেন। তাকে ঘিরে আছেন প্রতিবেশী নারীরা। তবে তাদের কারও কথায় সাড়া দিচ্ছেন না ময়না খাতুন। কিছুক্ষণ পরপর ছেলের ঘরের তালা খুলে টেবিলের কাছে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন। ছেলের ব্যবহৃত সাইকেল ধরে আপনমনে বলছেন, ‘বাবার সাইকেল। এই সাইকেলেই বাবা (মারুফ) স্কুল করেছে। বাজারে ঘুরতে যেত।’

ছেলে হত্যার বিচার প্রসঙ্গে ময়না খাতুন বলেন, ‘বিচার করি কি করবেন বলেন? ছেলে তো আমি আর ফিরে পাচ্ছিনে।’ এরপর আর কোনো কথা বলতে পারেননি ময়না খাতুন। মুখে আঁচল চাপা দিয়ে ডুকরে কেঁদে ওঠেন।  

ভাইয়ের স্মৃতি তাড়া করে ফিরছে একমাত্র বোন চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী মাইসাকে। সে জানায়, ঢাকায় যাওয়ার পর প্রতিদিন সন্ধ্যায় মাকে ফোন করত মারুফ হোসেন। তার সঙ্গেও কথা বলত। চাকরি পেলেই পছন্দের অনেক খেলনা কিনে দেওয়ার কথা দিয়েছিল। এখন সন্ধ্যা নামলেই ভাইয়ের কথা তার মনে পড়ে। 

মারুফের বাবা শরিফুল ইসলাম জানান, ১৯ জুলাই বেলা ১১টার দিকে ছেলের সঙ্গে শেষবার কথা হয়। কথা শেষ হওয়ার আগেই লাইন কেটে যায়। আর কথা হয়নি। বিকেল ৫টার পর ছেলের সহপাঠী ফোন দিয়ে মারুফের মৃত্যুর খবর জানায়। তিনি এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন।

tag ট্যাগ: #111