অন্যদিকে আর্থিক খাতে আলোচিত নাম চৌধুরী নাফিজ সরাফাতের বিরুদ্ধে ব্যাংক দখল ও শেয়ারবাজার থেকে টাকা লুটপাটের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে দুদক। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ এবং এস আলম গ্রুপের ইসলামী ব্যাংক দখল করে নেওয়ার অভিযোগেরও তদন্ত শুরু করেছে। দুদক সূত্র জানায়, অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাওয়া গেছে সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ও অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে। দুদকের গোয়েন্দা শাখার প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে।
অন্যদিকে দুদকের গোয়েন্দা প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও দুবাইয়ে সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্ত্রীর বিপুল সম্পদ থাকার খবর আগে থেকেই গণমাধ্যমে প্রচার হয়ে আসছিল। খবরে বলা হয়, তাদের নামে বিদেশে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে বড় অঙ্কের অর্থ জমা রয়েছে। বিদেশে অর্থ জমা রাখার ব্যাপারে তারা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কোনো অনুমতি নেননি। গত ৪ মার্চ এসব প্রমাণ ও নথি টিআইইউকে ও টিআইবির উদ্যোগে বিএফআইইউ, দুদক, সিআইডি, এনবিআর ও অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে পাঠানো হয়।
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের অঢেল সম্পদ নিয়ে গত মার্চ মাসে সংবাদ প্রকাশ করে একটি জাতীয় দৈনিক। এরপর ১৮ এপ্রিল দুদক কমিশন সভায় বেনজীর ও তার পরিবারের সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হয়। অনুসন্ধানের পর সম্পদ জব্দ করা হলেও মামলা করা হয়নি।