calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / তথ্য ও প্রযুক্তি / ১৯০টি হ্রদের নীচে বসবে বিশেষ সিস্টেম,বন্যা আসার আগেই টের পাওয়া যাবে।
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
তথ্য ও প্রযুক্তি বিশেষ প্রতিবেদন

১৯০টি হ্রদের নীচে বসবে বিশেষ সিস্টেম,বন্যা আসার আগেই টের পাওয়া যাবে।

বরফ গলছে হিমবাহের। ভয় ধরাচ্ছে হিমালয়। হিমালয়ের ১৯০টি হিমবাহী হ্রদ বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এবার বন্যা মোকাবিলায় বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে সরকার। যে যে হিমবাহী হ্রদ, উচ্চ ঝুঁকির কারণ হতে পারে, প্রত্যেকটির উপর নজর রাখা হবে।

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ • সকাল ১০:২০
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২০৩ বার পঠিত

২০১৩ সালে কেদারনাথ বিপর্যয়, হিমবাহী হ্রদের বরফ গলে গিয়ে সৃষ্ট বন্যা বিপদ সম্পর্কে কিছুটা সচেতনতা জাগিয়েছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের অক্টোবরে, সিকিমে হিমবাহী হ্রদ আউটবার্স্ট, হয়ে প্রবল বন্যার সৃষ্টি করেছিল। ইংরেজিতে যাকে বলা হচ্ছে, 'গ্রেসিয়াল লেকস আউটবার্স্ট ফ্লাড' (জিওএলএফ)। এর ফলস্বরূপ মারা গিয়েছিলেন ১৪ জন। তখনই প্রমাণ হয়ে গিয়েছিল যে সমগ্র হিমালয় অঞ্চল এই মুহূর্তে জনবসতির জন্য ঠিক কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই ঝুঁকি আরও বাড়ছে।এই ট্র্যাজেডির কারণেই সরকার একটি জাতীয় কর্মসূচি শুরু করেছে। চারটি রাজ্য এবং দু' টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলেরই ১৯০টি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ হিমবাহী হ্রদের উপর নজর রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এনডিএমএ) এর নেতৃত্বে এই কর্মসূচি, চলবে৷ এর অধীনে, এই হ্রদগুলির নীচের অঞ্চলগুলিতে অটোমেটিক আবহাওয়া এবং জল স্তর পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। কোনও বিপদ এলে প্রাথমিক সতর্কতা দেওয়ার জন্য, বিশেষ ব্যবস্থাও করা হবে।


হিমালয় অঞ্চলের, জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, সিকিম এবং অরুণাচল প্রদেশে প্রায় ৭,৫০০ হিমবাহী হ্রদ রয়েছে। ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি এই হ্রদের মধ্যে ১৯০টি হ্রদকে 'উচ্চ ঝুঁকি' হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে হিমাচল প্রদেশে ৪৮টি, তারপরে সিকিমে ৪০টি, লাদাখে ৩৫টি, অরুণাচল প্রদেশে ২৮টি, জম্মু ও কাশ্মীর ২৬টি এবং উত্তরাখণ্ড রাজ্যে ১৩টি হিমবাহী হ্রদ বর্তমাহিমবাহী হ্রদ আউটবার্স্ট (জিওএলএফ) কখন হয়

হিমবাহে আটকে থাকা যখন জল হঠাৎ মুক্ত হয়ে যায়, তখনই এই বিপদ ঘটে। এটি দ্রুত, প্রচুর পরিমাণে জল ছেড়ে, বিরাট জনবসতিকেই ভাসিয়ে দিতে পারে। মারাত্মক বন্যার সৃষ্টি হয়। জলবায়ু পরিবর্তন এই ধরনের অসংখ্য হ্রদের জন্ম দিয়েছে। ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটির উপদেষ্টা সাফি আহসান রিজভি, টাইম অফ ইন্ডিয়াকে বলেছেন যে শীঘ্রই ভারতের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং প্রাকৃতিক বিপদ হয়ে উঠবে পারে এই জিওএলএফ।


প্রসঙ্গত, জুলাই মাসে অনুমোদিত এই কর্মসূচিতে ১৫০ কোটি টাকা খরচ করবে সরকার। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য বন্যা ব্যবস্থাপনা, আগুন নেভানোর পরিষেবা এবং অন্যান্য দুর্যোগ ত্রাণ প্রচেষ্টার উন্নতির জন্য সরকারের যে ১২,৫৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে, এই নতুন কর্মসূচি তারই একটা অংশ।


ইতিমধ্যেই, সমস্ত কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সংস্থা, বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান, ভারতীয় সেনাবাহিনী, উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ হ্রদগুলি পরিদর্শন করছে। এই হ্রদের কারণে সম্ভাব্য ঝুঁকি খতিয়ে দেখছে। একই সময়ে, ইলেকট্রনিক্স এবং আইটি মন্ত্রনালয় গ্লাসিয়াল লেক আউটবার্স্ট ফ্লাডস- এর মোকাবিলা করার জন্য বিভিন্ন অত্যাধুনিক পদক্ষেপ করেছে। হ্রদ জরিপ, বিপদের সম্ভাবনা এবং হ্রদের ভলিউম গণনা করার জন্য এআই, ড্রোন এবং স্যাটেলাইট-এর মতো উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।ন।