উদ্বোধনী বক্তব্যে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আলোকিত নারী কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর সভাপতি সারমিন সেলিম তুলি বলেন- বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষে পোশাক বা পণ্যের প্রদর্শনী নতুন কিছু নয়। তবে প্রতিটি প্রদর্শনীতেই থাকে নতুন পণ্য বা পোশাকের সংগ্রহ। আসছে ঈদ। এ ঈদ উপলক্ষে আয়োজিত প্রদর্শনীতে বিশেষ পণ্যের সমারোহ থাকবে। এটাই প্রত্যাশা করেন ক্রেতারা। নতুন নকশার পোশাক নিয়ে সাজানো হয় এ প্রদর্শনী। বারিধারা, গুলশান ও বনানীতে যারা বসবাস করেন, তারা হাতের কাছেই ছিল নানা নকশা ও দেশী-বিদেশী উপকরণ দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক। তিনি বলেন- এ প্রদর্শনী থেকে পণ্য কেনা মানে ক্রেতা ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হবে, তা নয়। নারী উদ্যোক্তাদের পণ্য কিনে পরোক্ষভাবে নারী সমাজের অগ্রগতিতে অবদান রাখবেন।
তিনি আরো বলেন- বাংলাদেশে ফ্যাশন ও পোশাকে যে বৈচিত্র এসেছে, পোশাক শিল্পের মাধ্যমে যে রেমিট্যান্স বাংলাদেশে আসছে, তার বেশিরভাগ কৃতিত্ব নারীর। নারীরা পোশাকের নকশায় যেমন বৈচিত্র এনেছেন, তেমনি পোশাক সেলাই থেকে শুরু করে বিক্রি পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে কাজ করছেন। বর্তমানে অনলাইন পোশাকের ব্যবসা বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। অনলাইনে যারা পোশাকের ব্যবসা করেন, তাঁদের বেশিরভাগ নারী। সততা, শ্রম, মেধা ও বিশ্বস্ততার সাথে নারীরা ক্রেতাদের সন্তুষ্টি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। আমরা আশা করছি নারীদের এ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে এবং বরাবরের মতো নারীদের পাশে থেকে উৎসাহ দিবে পুরুষ।