বাদীপক্ষের আইনজীবী নাজমুল হাসান বলেন, আদালত এ মামলা গ্রহণ করেছে। তবে মামলার তদন্ত আপাতত স্থগিত থাকবে। এ ঘটনায় আগে একটি মামলা হয়েছে। আদালত ওই মামলা রিকল (প্রত্যাহার) করবেন। এরপর দুইটার অভিযোগ সমন্বয় করে মামলার তদন্ত চলবে।
এ মামলার অন্য আসামির হলেন- জালাল মিয়া, সুমন মিয়া, ফিরোজ কবির, আবদুস সামাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ, আল হোসাইন সাজ্জাদ, ওয়াজিবুল আলম, আহসান উল্লাহ, ফজলে রাব্বি, ইয়ামুস জামান, রাশেদ কামাল অনিক, শাহরিয়ার কবির শোভন, মেহেদী হাসান ইমরান ও মো. সুলতান। এরা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সামনে চোর সন্দেহে গণপিটুনি দেয়া হয় তোফাজ্জল হোসেনকে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।
তোফাজ্জল
পরে জানা যায়, তোফাজ্জল একজন মানসিক রোগী ছিলেন। ঘটনার পরদিন দুপুরে শাহবাগ থানায় মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। মামলার পর ৬ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে এ ছয় আসামি কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন- জালাল মিয়া, সুমন মিয়া, মো. মোত্তাকিন সাকিন, আল হোসেন সাজ্জাদ, আহসান উল্লাহ ও ওয়াজিবুল আলম।