calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / সারা বাংলা / মধুপুরের ঐতিহ্যবাহী আনারস জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল।
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

মধুপুরের ঐতিহ্যবাহী আনারস জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল।

জিআই পণ্য হিসবে স্বীকৃতি পেল লাল মাটির মধুপুর গড়ের ইতিহাস ঐতিহ্যের আনারস। লাল মাটির অঞ্চল হিসেবে যেমন মধুপুরের নাম রয়েছে তেমনি আনারসেরও রয়েছে ইতিহাস ঐতিহ্য ও সুনাম। দীর্ঘ দিন পরে হলে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ • দুপুর ০১:৪০
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৯৫ বার পঠিত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভৌগোলিক নির্দেশক ইউনিট গত ২৪ সেপ্টেম্বর মধুপুরের আনারস জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি সনদ প্রদান করেছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট,শিল্প-নকশা টের্ডমার্ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মুমিন হাসান স্বাক্ষরিত ৩১ শ্রেণীতে জিআই-৫২ নম্বরে মধুপুরের আনারস কে ভৌগোলিক নির্দেশক সনদ প্রদান করে।


জানা যায়, বাংলাদেশে সর্ব প্রথম আনারস চাষের গোড়াপত্তন হয় ১৯৪২ সালে। মধুপুরের ইদিলপুর গ্রামের ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক গারো সম্প্রদায়ের মিজি দয়াময়ী সাংমা প্রথম আনারস চাষ শুরু করেন। তিনি ভারতের মেঘালয়ের আত্মীয় বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে সেখান থেকে ৭৫০টি চারা এনে তার বাড়িতে আনারস চাষ শুরু করেন। সেই চাষকে সমৃদ্ধ করে বতর্মানে বিভিন্ন অঞ্চলে আনারস চাষ হয়েছে।



জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সাবেক সভাপতি অজয় এ মৃ বলেন, মধুপুরে প্রথম আনারসের চাষ শুরু হয় ইদিলপুর গ্রামে। এরপর থেকেই আনারস চাষের বিস্তৃতি ঘটে। ঐতিহ্য ধরে রাখতে আনারস চাষ জৈবিক উপায়ে করার পরামর্শ তার।


সিআইপি কৃষক গারো বাজারের ছানোয়ার হোসেন বলেন, মধুপুরের আনারস যেভাবে চাষাবাদ বাজারসহ প্রভৃতি হওয়ার কথা ছিল তা আশানুরূপ হচ্ছিল না। ভৌগোলিক নির্দেশক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় একটা আশার জায়গা তৈরি হলো। আনারসের ইতিহাস ঐতিহ্য দেশ এবং বিশ্বে বহুগুণ বেড়ে গেল। মধুপুর উচ্চতায় যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরো যাবে বলে তিনি মনে করেন।



মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাকুরা নাম্মী বলেন, জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া মানে ভৌগোলিক নির্দেশক। আনারস তো মধুপুর ছাড়াও সিলেট, পার্বত্য এলাকা ছাড়াও আরও বিভিন্ন জন্মে থাকে। এখন আনারস মানে দেশে এবং বিশ্ব বাজারে মধুপুরের আনারস হিসেবে পরিচিতি পাবে। তিনি বলেন, আনারস আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির যে চেষ্টা চলছিল, সেই সম্ভাবনার দ্বার এখন খুলে গেল।


কৃষি বিভাগের ঢাকা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক আহসানুল বাসার বলেন, দেশের অন্যতম একক বৃহত্তর উপজেলা মধুপুর। মধুপুরের আনারসের নিজস্ব ঐতিহ্য রয়েছে। হানিকুইন জায়েন্টকিউ ও জলডুগি আনারসের মিষ্টতা আলাদা। স্বাদ ঘ্রাণও বেশি। যে এলাকায় ৭ হাজার হেক্টরেরও বেশি আনারস চাষ হয়। জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য। এ জন্য তিনি গর্ব বোধ করছেন বলে জানান তিনি।



মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জুবায়ের হোসেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করতে দেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যের জিআই স্বীকৃতিলাভ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধুপুরের আনারসের জিআই জার্নালের জন্য অনুমোদিত হওয়াটা মধুপুরবাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের একটি ঘটনা। মধুপুরের আনারস সারা দেশেই জনপ্রিয়। এখন বিশ্ববাসীও এর সঙ্গে পরিচিত হলো। এর ফলে বিশ্বে মধুপুরের আনারসের বাজার সৃষ্টি হবে