calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / আইন-আদালত / কার হাতে থাকবে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা, জানতে অপেক্ষা
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আইন-আদালত বিশেষ প্রতিবেদন

কার হাতে থাকবে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা, জানতে অপেক্ষা

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অপসারণের পথ উন্মুক্ত হচ্ছে। দীর্ঘ আট বছর পর ষোড়শ সংশোধনী মামলার রিভিউ শুনানির উদ্যোগ নেওয়ায় এমন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। আজ মামলাটি আপিল বিভাগের দৈনন্দিন কার্যতালিকার এক নম্বর এমিকে রয়েছে।

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪ • সকাল ১০:০২
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৩০ বার পঠিত

প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চে এ শুনানি হবে। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনরুজ্জীবিত করে আপিল বিভাগ যে রায় দিয়েছিল, তা বহালে শুনানিতে আবেদন জানাবে রাষ্ট্রপক্ষ।


বিগত আওয়ামী লীগ সরকার সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনর্বহালের রায় বাতিল চেয়ে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেছিল। ওই সরকার রিচারপতি অপসারণসংক্রান্ত সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পদ্ধতি বাতিল করে এই ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে নেয়, যা ষোড়শ সংশোধনী নামে পরিচিত। কিন্তু ১০ আইনজীবীর রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ষোড়শ সংশোধনীকে বাতিল ও সংবিধান পরিপন্থী ঘোষণা করে ২০১৪ সালে রায় দেয় হাইকোর্ট। আপিল করে আওয়ামী লীগ সরকার। সেই আপিল খারিজ করে দেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির বেঞ্চ।


২০১৬ সালে দেওয়া ওই রায় স্থগিত চেয়ে রিভিউ পিটিশন দাখিল করে তৎকালীন সরকার। দীর্ঘ আট বছরেও সেই রিভিউ শুনানির উদ্যোগ না নেওয়ায় রায়দানকারী সাত বিচারপতি ছয়জন পর্যায়ক্রমে অবসরে যান। এর মধ্যে বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ছয় বছর প্রধান বিচারপতির পদে দায়িত্ব পালন করেন। প্রধান বিচারপতি পদে দায়িত্ব পালন করলেও কোনো এক অজানা কারণে এই রিভিউ পিটিশন নিষ্পত্তির কোনো তাগাদা রাষ্ট্রপক্ষকে দেননি।


২০১৬ সালে এই মামলায় রায় প্রদান নিয়ে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার সঙ্গে সরকারের টানাপড়েন সৃষ্টি হয়। পরে তিনি দেশত্যাগে বাধ্য হন।


এদিকে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উচ্চ আদালতের বেশ কয়েক জন বিচারপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগ ওঠায় তার তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। ফলে রিভিউ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেয় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার। রিভিউ নিষ্পত্তি হলেই বিচারপতি অপসারণের পথ উন্মুক্ত হবে বলে জানান আইনজ্ঞরা।


এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলি অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক-আর হক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আপিল বিভাগের বায়ে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পদ্ধতি পুনর্বহাল করা হয়েছে। এই রায়ের ওপর কোন স্থগিতাদেশ নেই।’


আজ আপিল বিভাগে রিভিউ নিষ্পত্তির পর বিচারপতি অপসারণের পথ পরিষ্কার হবে বলেও জানান তিনি।