তারপর তারা উভয়েই চলে যায়। পরবর্তীতে জয় (জিয়া হল ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক) ডিপার্টমেন্টের ব্যাক্তিগত ইস্যুকে রাজনৈতিক ইস্যু বলে চালিয়ে দেয়।"
এবিষয়ে সাজু বলেন, "এটা মোটেও চাঁদাবাজির টাকা নয়। আমি আমার বন্ধুর কাছ থেকে টাকা পেতাম, সে টাকা দিতে গড়িমসি করতো। জাকির ভাইকে জানানোর পর তিনি জয়ের স্বীকারোক্তির প্রেক্ষিতেই বিষয়টা সমাধান করে দেন।
হয়তো পাওনা টাকা পরিশোধ করায় সে মন:ক্ষুন্ন হয়ে এখন মিথ্যা ও মনগড়া সংবাদ উক্ত পত্রিকার সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রকাশ করে।"
এবিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রদল নেতা তাকবীর আহমেদ ইমন বলেন, "এই ঘটনার সাথে আমার সংশ্লিষ্ট থাকার কোনো সুযোগেই নেই। আমি বাসা থেকে হলের দিকে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে রুয়েট সংলগ্ন বাইপাসে জাকির ভাই আমাকে ডাক দেন এবং আমরা চা পান করি। উনার সাথে তার বিভাগের ছেলেরা ছিল। আমি তাদের কাউকেই তেমন চিনতাম না।"
সংবাদের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, "আমরা দুজন একান্তই ব্যাক্তিগতভাবে চা খাই এবং বিষয়টা তাদের বিভাগের অভ্যন্তরীণ হওয়ায় আমাকে তিনি চলে যেতে বলেন। তাই আমি আমার হলে ফিরে আসি। বাকিটা সময় আমি হলে এবং স্টেশনবাজার এলাকায় অবস্থান করি।"
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে উক্ত অভিযোগ মিথ্যা, মনগড়া, ভিত্তিহীন এবং এর কোনো সত্যতা নেই বলেছেন ছাত্রদল নেতারা। তারা বলছেন, "ষড়যন্ত্রকারী ছাত্রলীগ নেতা ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মতিহার থানায় পৃথক পৃথক দুটো অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।"
তাছাড়া উক্ত মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মূলক সংবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে বিদ্যমান আইনে মানহানির মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন তারা।