calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / সারা বাংলা / ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ, ছাত্রলীগ ও সাংবাদিকের নামে ভুক্তভোগী ছাত্রদল নেতাদের থানায় অভিযোগ
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ, ছাত্রলীগ ও সাংবাদিকের নামে ভুক্তভোগী ছাত্রদল নেতাদের থানায় অভিযোগ

গত (১২ই ডিসেম্বর) অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজ ২৪, ডেইলি ক্যাম্পাস, দৈনিক যুগান্তর, রাজবার্তা, ঢাকামেইল পত্রিকায় ছাত্রদল নেতাদের নামে কোনো সত্যতা ও প্রমান ছাড়াই মনগড়া চাঁদাবাজির একটি সংবাদ প্রকাশ করার অভিযোগ উঠেছে।...

person
স্টাফ রিপোর্টার verified
Junior Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪ • রাত ১২:৪৮
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৩৮২ বার পঠিত

তারপর তারা উভয়েই চলে যায়। পরবর্তীতে জয় (জিয়া হল ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক) ডিপার্টমেন্টের ব্যাক্তিগত ইস্যুকে রাজনৈতিক ইস্যু বলে চালিয়ে দেয়।"


এবিষয়ে সাজু বলেন, "এটা মোটেও চাঁদাবাজির টাকা নয়। আমি আমার বন্ধুর কাছ থেকে টাকা পেতাম, সে টাকা দিতে গড়িমসি করতো। জাকির ভাইকে জানানোর পর তিনি জয়ের স্বীকারোক্তির প্রেক্ষিতেই বিষয়টা সমাধান করে দেন। 


হয়তো পাওনা টাকা পরিশোধ করায় সে মন:ক্ষুন্ন হয়ে এখন মিথ্যা ও মনগড়া সংবাদ উক্ত পত্রিকার সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রকাশ করে।" 


এবিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রদল নেতা তাকবীর আহমেদ ইমন বলেন, "এই ঘটনার সাথে আমার সংশ্লিষ্ট থাকার কোনো সুযোগেই নেই। আমি বাসা থেকে হলের দিকে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে রুয়েট সংলগ্ন বাইপাসে জাকির ভাই আমাকে ডাক দেন এবং আমরা চা পান করি। উনার সাথে তার বিভাগের ছেলেরা ছিল। আমি তাদের কাউকেই তেমন চিনতাম না।"


সংবাদের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, "আমরা দুজন একান্তই ব্যাক্তিগতভাবে চা খাই এবং বিষয়টা তাদের বিভাগের অভ্যন্তরীণ হওয়ায় আমাকে তিনি চলে যেতে বলেন। তাই আমি আমার হলে ফিরে আসি। বাকিটা সময় আমি হলে এবং স্টেশনবাজার এলাকায় অবস্থান করি।"


প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে উক্ত অভিযোগ মিথ্যা, মনগড়া, ভিত্তিহীন এবং এর কোনো সত্যতা নেই বলেছেন ছাত্রদল নেতারা। তারা বলছেন, "ষড়যন্ত্রকারী ছাত্রলীগ নেতা ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মতিহার থানায় পৃথক পৃথক দুটো অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।" 


তাছাড়া উক্ত মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মূলক সংবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে বিদ্যমান আইনে মানহানির মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন তারা।