calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / সারা বাংলা / ভোলায় যুবকের ভাগ্য বদল পরিত্যাক্ত প্লাস্টিকেই
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

ভোলায় যুবকের ভাগ্য বদল পরিত্যাক্ত প্লাস্টিকেই

অভাব-অনটনে পড়াশোনা করতে পারেনি, মাত্র ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত-ই সীমাবদ্ধ থাকে। চাকুরীর পিছনে ঘুরতে থাকে কিন্তু আশানুরূপ চাকুরী মেলেনি। পরবর্তীতে ধানের ব্যবসা শুরু করেন দুলাল। সে ব্যবসায় তেমন লাভবান না হওয়ায় ২০১২ সালে শুরু...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ • বিকাল ০৪:০৫
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৫৮ বার পঠিত

বৃদ্ধি পেতে থাকে ব্যবসার পরিধি, বাড়তে থাকে মেশিন, কর্মচারী, হকার এবং খুচরা বিক্রেতাদের দাদন। ছোট পরিসরের ব্যবসাটি বিশালকার ধারণ করে। বলছি ভোলা সদর উপজেলা শিবপুর চাউলতা তলা এলাকার আল আবরার ট্রেডার্সের পরিচালক মো. দুলাল মিয়ার কথা। যিনি পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের পুরানো পণ্যেকে পুনরায় বাজার জাত করেন। তৈরি করেন প্লাস্টিকের সুতা। যা ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। ভাগ্য বদলে যাওয়া দুলাল ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বদুর বাড়ীর চান মিয়ার ছেলে।

তরুণ উদ্যোক্তা দুলাল বলেন, আমি প্রথমে ধানের ব্যবসা করতাম, পরবর্তীতে ব্যবসাতে লাভবান না হওয়ায় এ ব্যবসা শুরু করি। ধার-কর্জ করে এবং বিভিন্ন এনজিও থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা নিয়ে যাত্রা শুরু করি। প্রথমে দুইটি মেশিন এবং ৫/৬জন শ্রমিক নিয়ে শুরু হলেও আজ সকলের দোয়ায় আমার ৪০/৪৫ জনের মত কাজ করে। আমার দাদন আছে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা এবং মেশিন এখন ৮টি। প্রতি মাসে প্রায় ৩লক্ষ টাকা স্টাফের বেতন দেয় বলেও জানান দুলাল।

দুলাল আরো জানান, আমার মেশিনে সুতা হয় যা ভোলাসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। পুরানো পণ্যেতে পুনরায় রং এবং প্লাস্টিকের নতুন পণ্যে তৈরি হয়। তিনি বলেন, এখন তো অনেক শিক্ষিত যুবকরা চাকুরীর পিছনে ঘুরে, এ চাকুরীর পিছনে না ঘুরে ছোট-পরিসরে ব্যবসা বা উদ্যোক্তা হলে একদিন চাকুরী দিবে অন্যকে। যেমনটা আমি দিয়েছি বা দিচ্ছি ইনশাআল্লাহ।

শ্রমিক নুরু নাহার বলেন, আমি আজ কয়েক বছর এখানে চাকুরী করি। আমার পরিবার এ আয়ের উপর নির্ভরশীল। বাড়ীর পাশে এ প্রতিষ্ঠান থাকায় আলহামদুলিল্লাহ চাকুরী করে পরিবার পরিজন নিয়ে ভাল আছি। অপর শ্রমিক হৃদয় আহমেদ বলেন, আমার বাড়ী নোয়াখালী, আমি এখানে চাকুরী করি। বেতন ১৮ হাজার টাকা। খুব ভাল আছি এবং নিয়মিত বেতন পাচ্ছি। আমি এ প্রতিষ্ঠানের আরো উন্নতি ও সফলতা কামনা করছি।