পৌষ্টিকনালির ক্ষতি তথা পাকস্থলী, খাদ্যনালি ও অন্ত্রের বিপদ ডেকে আনতে পারে।
কার্ডিয়োভাসকুলার রোগ অর্থাৎ রক্তচাপজনিত রোগ ও হার্টের সমস্যাও ঘটাতে পারে দীর্ঘদিনের প্যারাসিটামল-প্রেম।
* রেনাল প্রবলেম অর্থাৎ কিডনি ও মূত্রনালির ক্ষতিও ঘটাতে পারে। সাধারণত এই বিপদের কথা চিকিৎসকরা বেশি করে বলে থাকেন। যদিও আগের বিপদগুলোর আশঙ্কা যথেষ্ট বেশি বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা।
আর্থারাইটিস কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চে প্রকাশিত ওই গবেষণা জানাচ্ছে, বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে অস্টিয়োআর্থারাইটিসও ঘটাতে পারে প্যারাসিটামল। গবেষণায় অন্তত তেমনটাই দেখা গিয়েছে।
কোন বয়সের মানুষদের বিপদ বেশি?
গবেষকদের কথায়, ৬৫ বা তার বেশি বয়স্কদের মধ্যে গুরুতর প্রভাব ফেলে প্যারাসিটামল। তাই ৬৫ বছর বয়স পেরোলে প্যারাসিটামল গ্রুপের ওষুধ বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া খাওয়া যাবে না। একান্ত খেতে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাওয়া জরুরি।
প্যারাসিটামল খাওয়ার আগে কী করণীয়
জ্বর, সর্দি-কাশি হলেই প্যারাসিটামলের উপর ভরসা করা কমাতে হবে। অনেক সময় ঘরোয়া টোটকা এইসব ব্যাপারে বেশ কার্যকরী। প্রথমে সেগুলোর উপর ভরসা রাখতে পারেন।
একান্তই ওষুধ খেতে হবে মনে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসক বললে তবেই প্যারাসিটামল খান। মনমতো না খেয়ে ডোজ ও সময় মেনে খান। আগে থেকে কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে তা চিকিৎসককে জানান। সেইমতো ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দেবেন চিকিৎসক।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস