তিনি বলেন, যে ছাত্রীরা হলে থাকার যোগ্য, কিন্তু আমরা সিট দিতে পারছি না, তাদের প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
কোষাধ্যক্ষ বলেন, মেয়েদের পাঁচটি হলে যারা নতুন করে আবেদন করেছে, তাদের মধ্য থেকে অনেককেই সিট দিয়েছি। কিন্তু যাদের দিতে পারিনি, তাদের যাচাই-বাছাই করে এ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

মেয়েদের নতুন হল নির্মাণের জন্য যে প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, তাতে প্রায় তিন বছর সময় লাগবে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশে বিভিন্ন হোস্টেলে খবর নিয়ে জেনেছি, একটি সিটের জন্য আড়াই হাজার টাকা লাগে। তাই আমরা তিন হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রতিটি হল থেকে এ বিষয়ক কমিটি নাম যাচাই-বাছাই করে তালিকা দেবে। সে অনুসারে এই অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদ, প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ-আল-মামুন উপস্থিত ছিলেন।