বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অ্যালান চ্যালমার্স জানাচ্ছেন, এই প্রযুক্তি বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ সিমুলেশনগুলিতে ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন, পাইলটদের ট্রেনিং করার সময় সকল অনুভূতি কাজে লাগানো জরুরি। এছাড়া, গেমারদের জন্য আরও ইমার্সিভ গেম তৈরি করা সম্ভব হবে যা তাদের অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করবে।
গেমিং বিশ্বে এটি একটি নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। বড় গেমিং কোম্পানিগুলি এই ধরনের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে, যেমন সনি তাদের "ফিউচার ইমার্সিভ এন্টারটেইনমেন্ট কনসেপ্ট" প্রদর্শন করেছে যেখানে গন্ধও একত্রিত করা হয়। যদিও এটি এখনো বেশ নতুন এবং বিশেষ ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত, তবে ভবিষ্যতে এটি সাধারণ গেমিং অভিজ্ঞতার অংশ হতে পারে, যা গেমারদের নতুন এক অনুভূতির জগতে নিয়ে যাবে। তথ্যসূত্র : বিবিসি