আদালতের রায়ে বলা হয়, রুশদির ওপর হামলার জন্য হাদি মাতারকে সর্বোচ্চ ২৫ বছর কারাদণ্ডের সাজা ভোগ করতে হবে। এ ছাড়া সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী ব্যক্তির ওপর হামলার জন্য তাকে সাত বছর কারাগারে থাকতে হবে। আদালতের বিচারক ডেভিড ফলি সাজা দুটি একসঙ্গে কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন।
১৯৮১ সালে ‘মিডনাইটস চিলড্রেন’ বই লিখে খ্যাতি অর্জন করেন সালমান রুশদি। কিন্তু ১৯৮৮ সালে লেখা চতুর্থ বই ‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’-এর জন্য তাকে ৯ বছর আত্মগোপনে থাকতে হয়েছিল। বইটিতে ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করা হয়েছে বলে মনে করেন মুসলিমরা। এটি প্রকাশের পর থেকে সালমান রুশদি হত্যার হুমকি পেয়ে আসছিলেন।
‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’ প্রকাশের এক বছর পর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সালমান রুশদির মৃত্যুদণ্ডের ফতোয়া জারি করেন। সেই সঙ্গে তার মাথার দাম হিসেবে ৩ মিলিয়ন (৩০ লাখ) ডলার পুরস্কার ঘোষণাও করেন তিনি।