মঙ্গলবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
তবে অভিযুক্ত গোলাম বিকরিয়া বলছেন, ভিডিওটা এডিট করা হতে পারে। তিনি এ ধরনের কাজের সঙ্গে জড়িত নন।
ভিডিওতে দেখা যায়, গোলাম কিবরিয়া একজন ব্যক্তির সঙ্গে চবির অগ্রণী ব্যাংকে প্রবেশ করে নগদ অর্থ উত্তোলন করেন। তিনি এক লাখ টাকা গ্রহণ করার পাশাপাশি বাকি অর্থ নিয়ে দর কষাকষি করেন।
অভিযোগ উঠেছে, ‘জেরিন গ্রুপ’ নামে একটি নিরাপত্তা প্রহরী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের এমডি ফরিদের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী নিরাপত্তা দপ্তরে অস্থায়ী নিয়োগের কথা বলে বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নেন গোলাম কিবরিয়া।
এ ঘটনার পরপরই চবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে গোলাম কিবরিয়াকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তিনি সাময়িকভাবে বরখাস্ত থাকবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী জীবিকা ভাতা পাবেন। পাশাপাশি ঘটনাটি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া যুগান্তরকে বলেন, ভিডিওটা এডিট করা হতে পারে। ওই প্রতিষ্ঠানের পারফরম্যান্স খারাপ হওয়ায় তাদের থেকে প্রহরী নেওয়া কমিয়ে দেয় সংশ্লিষ্ট কমিটি। তবে প্রতিষ্ঠান মনে করেছে এই কাজ আমি করেছি। এরপর থেকে তারা আমার পেছনে লেগেছে। ভিডিওর ঘটনা সত্য নয়।