আদালত সূত্রে জানা গেছে, বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. পিন্টু তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। আগামী ১ জুলাই এ মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ১৩ মার্চ শাওনের সৎ মা নিশি ইসলাম হত্যাচেষ্টা ও মারধরের অভিযোগে ১২ জনকে আসামি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাবেক প্রধান মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদসহ ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের শুরুর দিকে শাওনের বাবা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী একটি ম্যারেজ মিডিয়ায় বিয়ের জন্য পাত্রী চাই বিজ্ঞাপন দেন। সে বিজ্ঞাপন থেকে নিশির সঙ্গে পরিচয় ও বিয়ে। এ ঘটনা জানার পর বাবার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান শাওন। এ সময় শাওন ও তার অন্যান্য ভাই বোনেরা ক্ষমতার প্রভাবে দ্বিতীয় মা নিশিকে ছয় মাস জেল খাটান।
মামলা দায়েরের পর আদালতের নির্দেশে তদন্ত করে পুলিশ। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে প্রথমে সমন ইস্যু করেন। নির্ধারিত দিনে হাজির হয়ে বাড্ডা থানার দুই পুলিশ সদস্য আদালতে হাজির হয়ে জামিন নেন। তবে শাওন ও নাজমুল হাজির না হওয়ায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।