চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন খাবার নিয়মিত খেলে আপনার শরীরের ক্লান্তি দূর হবে—
কলা
দ্রুত ক্লান্তি দূর করতে প্রতিদিন নিয়ম করে একটি কলা খান। কারণ কলায় আছে ফাইবার, পটাশিয়াম ও কার্বোহাইড্রেট। এসব উপাদান একত্রে মিলে শরীরকে পুষ্টির পাশাপাশি শক্তিও জোগায়। কোনো ‘এনার্জি ড্রিংক’, ‘এনার্জি বুস্টার’ থেকে অনেক বেশি ভালো কলা। আর কলা প্রাকৃতিক উপায়ে শরীরকে শক্তি প্রদান করে থাকে। শরীরচর্চার আগে ও পরে কলা খেলে উপকার বেশি পাবেন।
কাঠবাদাম
কাঠবাদাম একটু দামি হলেও আপনার শরীরকে শক্তি জোগাতে দ্রুত কার্যকরণ ভূমিকা পালন করবেন। কারণ কাঠবাদামের জুড়ি মেলা ভার। সকালবেলা খালি পেটে ভেজানো বাদাম খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই আছে। ভিটামিন ই, ম্যাগনেশিয়াম এবং নানা ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর এই কাঠবাদাম শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
তবে যারা নিয়ম করে প্রতিদিন কাঠবাদাম রাখছেন, তারা আবার মুঠো মুঠো বাদাম খেয়ে ফেলবেন না। আপনার শরীরের জন্য প্রতিদিন ঠিক ক’টা বাদাম খেলে উপকার পাবেন, সেই হদিস একজন পুষ্টিবিদের কাছ থেকে নেওয়াই ভালো। বেশি খেলে গ্যাস-অম্বল ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। কিডনির কোনো সমস্যা রয়েছে, এমন রোগীর ডায়েটেও কাঠবাদাম একেবারেই রাখা যাবে না।
ডিম
ডিমের মতো সুষম খাবার আর দ্বিতীয়টি নেই। কারণ ডিমে রয়েছে প্রোটিন, ক্যালশিয়াম ও ভিটামিন এ। যে কুসুমকে আপনি অবজ্ঞা করে চলেন, সেই অংশটি খেলেও নানান উপকার মেলে। এতে থাকা ফ্যাট চটজলদি শরীরের ক্লান্তি ভাব দূর করে। ডিম খেলে শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতিও মিটে যায়। ফলে শরীর ভেতর থেকে তরতাজা হয়।
ডার্ক চকোলেট
ডার্ক চকোলেট স্বাদে একটু কড়া। কিন্তু ডার্ক চকোলেটে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি থাকে। থিয়োব্রোমাইন নামক এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্টটি শরীরে শক্তির জোগান দেয়। ফলে স্নায়ু সজাগ রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ডোপামিন হরমোনের উৎপাদন এবং ক্ষরণের হার বাড়িয়ে তোলে এই চকোলেট। ফলে মনমেজাজও চাঙা থাকে।