বেশ কিছু দিন ধরে চ্যাটবটের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, প্রায় সব চ্যাটবটই দাবি করে আসছে যে, তারাই আসল অভিনেতা ও শিল্পী। এসব চ্যাটবট থেকে নিয়মিত আবেদনময়ী ইঙ্গিতও আসে। বেশ কিছু এআই দিয়ে তৈরি সেলিব্রিটি কনটেন্টে আপত্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছে। অন্তরঙ্গ ছবির অনুরোধ করলে তারকাদের চ্যাটবট বাথটাবে শোয়া বা অন্তর্বাস পরা ছবি তৈরি করছে।
এ বিষয়ে মেটার মুখপাত্র অ্যান্ডি স্টোন রয়টার্সকে বলেন, মেটার এআই টুল দিয়ে বিখ্যাত তারকাদের অন্তরঙ্গ ছবি বা অপ্রাপ্তবয়স্ক তারকাদের ছবি তৈরি করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের ছবি তৈরির অনুমতি দিই। মেটার নিয়মানুসারে সরাসরি কোনো তারকার মতো বা ছদ্মবেশী ছবি তৈরি করা নিষিদ্ধ।
নিয়ম না থাকলেও বাস্তবে বিভিন্ন তারকার চ্যাটবট দেখা গেছে। এসব বট থেকে নানা আবেদনময়ী ছবি বা ভিডিও তৈরি করা হয়। অবশ্য তারকাদের নামে চালু করা চ্যাটবটগুলোকে প্যারোডি লেবেল দিয়েছে মেটা। শুধু তা–ই নয়, এরই মধ্যে প্যারোডি ও লেবেলবিহীন প্রায় একডজন চ্যাটবট মুছে ফেলেছে প্রতিষ্ঠানটি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেটা এআই দিয়ে তৈরি চ্যাটবটগুলোর মধ্যে অন্তত তিনটি চ্যাটবট খুঁজে পাওয়া গেছে, যার মধ্যে দুটি টেইলর সুইফটের প্যারোডি চ্যাটবট, যা মেটার একজন কর্মী তৈরি করেছেন।