calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / সারা বাংলা / দর্জি থেকে কোটিপতি এক দশকে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
সারা বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন

দর্জি থেকে কোটিপতি এক দশকে

বাংলাদেশের রাজনীতিতে রাতারাতি কোটিপতি বনে যাওয়ার ঘটনা নতুন নয়। তবে বান্দরবানের লামার প্রদীপ কান্তি দাশের উত্থান স্থানীয়দের কাছে ব্যতিক্রমী মনে হচ্ছে। এক দশক আগেও তিনি ছিলেন সাধারণ দর্জি। সংসার চালাতে অন্যের দোকানে সেলাই...

person
জেলা প্রতিনিধি verified
News Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ • বিকাল ০৩:১৫
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৫৩ বার পঠিত

জানা গেছে, ১৯৯৭ সালে পারিবারিক দারিদ্র্যের কারণে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থেকে লামায় আসেন প্রদীপ। প্রথমে স্থানীয় দর্জির দোকানে কাজ শুরু করেন, পরে শুভ বস্ত্রালয়ে সেলাই করতেন। সংসার চালাতে হিমশিম খেতেন তিনি। ২০০৪ সালে ছাত্রলীগে যোগ দিয়ে রাজনীতির পথে যাত্রা শুরু করেন। পরে যুবলীগে সক্রিয় হয়ে ২০১২ সালে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হন। এর পর থেকেই তার ভাগ্য বদলাতে শুরু করে। রাজনৈতিক পদকে হাতিয়ার করে জমি দখল, ঠিকাদারি ও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়েন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। আয়কর ফাইলে প্রদীপ মাত্র ১৩ লাখ টাকার ব্যবসায়িক সম্পদ ও ১১টি খতিয়ান দেখালেও অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে ৩০টির বেশি জমির দলিল। ইয়াংছা, ফাইতং, ছাগলখাইয়া ও বড় বুম মৌজায় শত শত শতক জমি তার নামে বা বায়না দলিলে রয়েছে। এমনকি ৩০ ভরি স্বর্ণের হিসাবও তিনি মাত্র ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেখিয়েছেন, যা বাজারদরের তুলনায় অস্বাভাবিক কম।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, লামা ও আলীকদম উপজেলায় প্রদীপ কান্তির নামে ও বেনামে প্রায় শত কোটি টাকার জমি রয়েছে। গত পাঁচ বছরে লামায় অন্তত ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকার জমি কিনেছেন তিনি। ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপন করেছেন একাধিক ইটভাটা। লামা পৌরসভার বাজারে কোটি টাকার প্লট, চট্টগ্রামে একাধিক ফ্ল্যাটও রয়েছে তার।

জমির দলিল ঘেঁটে দেখা যায়, ছাগলখাইয়া মৌজায় ৩১৭/১৬ নং বায়না দলিলে ৩ শতক, ৩৬১/১৮নং দলিলে ২৭ শতক এবং ১০২৬/১৯নং দলিলে ২৭ শতক জমি কিনেছেন। একই মৌজায় ২০৮/২২, ৫৯৫/২২ ও ৭৩০/২২নং দলিলে যথাক্রমে ৯০, ৪০ ও ২৯ শতক জমি, ৭৭৭/১৮নং দলিলে ২০ শতক এবং ৯০৫/২২নং দলিলে ৩৮ শতক জমির মালিকানা তার নামে রয়েছে। ছোট বুম মৌজায় ৩১৮/১৮, ৩২০/১৮ ও ৫০০/১৮নং দলিলে যথাক্রমে ৫৩, ৫৫ ও ৯০ শতক জমি তার দখলে রয়েছে। বড় বুম মৌজায় ৬৯৪/১৮নং দলিলে ৩৩ শতক, ৩৯০/২০নং দলিলে ২০ শতক এবং ৩৯২/২০নং দলিলে ১০০ শতক জমি কেনার তথ্য পাওয়া গেছে। একই মৌজায় ৬৯৮/১৮নং দলিলে ৪২ শতক, ৫৫১/১৯নং দলিলে ৪০ শতক, ৫৫২ ও ৫৫৩/১৯নং দলিলে যথাক্রমে ৪ ও ৯ শতক এবং ৫৫৪/১৯নং দলিলে ১০০ শতক জমি কিনেছেন। ইয়াংছা মৌজায় ৪১৮/২০নং দলিলে ১০ শতক, ৮৮৩/২২ ও ৮৮৪/২২নং দলিলে যথাক্রমে ২০০ ও ১৮০ শতক এবং ৮৪/২৩ ও ৪৮/২৩নং দলিলে ৯৮০ শতক জমি তার নামে রয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, প্রদীপ কান্তি দাশ নিজেকে সাবেক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিংয়ের প্রতিনিধি পরিচয় দিতেন।