calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / অন্যান্য / কিডনিকে সুস্থ রাখতে চান? আজই ছাড়ুন এই ৫ ক্ষতিকর অভ্যাস
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অন্যান্য বিশেষ প্রতিবেদন

কিডনিকে সুস্থ রাখতে চান? আজই ছাড়ুন এই ৫ ক্ষতিকর অভ্যাস

ছোট ছোট বদভ্যাসের কারণে ক্রমে নষ্ট হতে পারে কিডনি। সকালে প্রস্রাবের চাপে পেট ফেটে আসে। তারপরেও কেউ কেউ বিছানা ছাড়তে চান না, প্রস্রাব চেপে রাখেন। একে কিডনির ওপর মারাত্মক চাপ পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে এমনটা চলতে থাকলে পরবর্তীকালে...

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫ • বিকাল ০৫:৩৩
history আপডেট: ১২ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৪৪ বার পঠিত

. প্রস্রাব চেপে রাখা

এটি কিডনির জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর অভ্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রস্রাব চেপে রাখলে মূত্রথলিতে চাপ বাড়ে। দীর্ঘদিন ধরে এমনটা চলতে থাকলে শুধু মূত্রথলিই নয়, এটি কিডনি পর্যন্ত চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে কিডনিতে পাথর বা সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে, যা ধীরে ধীরে কিডনির স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।

২. অপরিমিত জল পান

পর্যাপ্ত জল পান না করলে শরীরে টক্সিন বা বর্জ্য পদার্থ জমা হতে থাকে। কিডনির প্রধান কাজ হলো এই বর্জ্যগুলিকে শরীর থেকে বের করে দেওয়া। যদি আপনি কম জল খান, তাহলে কিডনিকে বেশি ঘনত্বযুক্ত বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে হয়, যা তার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে এবং অঙ্গটির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

৩. অতিরিক্ত নুন (লবণ) গ্রহণ

অতিরিক্ত নুন খেলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। উচ্চ রক্তচাপ হলো কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অতিরিক্ত সোডিয়াম (নুন) গ্রহণের ফলে কিডনিকে তা ফিল্টার করতে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হয়। এটি দীর্ঘমেয়াদে কিডনির ফিল্টারিং ইউনিটগুলোকে (নেফ্রন) ক্ষতিগ্রস্ত করে।

৪. ব্যথানাশক ওষুধের অপব্যবহার

প্রেসক্রিপশন ছাড়াই অনেকে সামান্য ব্যথায় ঘন ঘন ব্যথানাশক (OTC Painkillers) ওষুধ সেবন করেন। বিশেষ করে নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগস (NSAIDs) যেমন আইবুপ্রোফেন, নেপ্রোক্সেন ইত্যাদি কিডনির রক্তনালীগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যা ক্রমান্বয়ে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ সৃষ্টি করে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ধরনের ওষুধ ঘন ঘন খাওয়া উচিত নয়।

৫. অপর্যাপ্ত ঘুম

ঘুমের অভাবকে সাধারণত শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মনে করা হয় না, কিন্তু এটি কিডনির ওপর প্রভাব ফেলে। কিডনি তার ২৪ ঘণ্টার কাজকে ঘুমের সময়ই নিয়ন্ত্রণ ও পুনর্গঠন করে। নিয়মিত কম ঘুমালে এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, পর্যাপ্ত ঘুম না হলে কিডনি ফাংশনে সমস্যা হতে পারে।