নিহতদের পরিচয় ও দাফন
বিমানযোগে মরদেহগুলো শনিবার রাতে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তা স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
সন্দ্বীপের সাতজন হলেন—আমিন মাঝি, আরজু, রকি, সাহাব উদ্দিন, বাবলু, জুয়েল ও রনি। তাঁদের দাফন সন্দ্বীপেই সম্পন্ন হয়েছে।
নিহত অপর প্রবাসী আলাউদ্দিনের মরদেহ চট্টগ্রামের রাউজানের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে দাফন সম্পন্ন হয়।
দুর্ঘটনার কারণ
গত ৮ অক্টোবর এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা ওমানে মাছ ধরার বোটে কাজ করতেন। সাগরে মাছ ধরা শেষে তাঁরা মাস্কাট থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দুকুম সিদ্দার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে তাঁদের বহনকারী মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারালে মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে এবং ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়।
প্রবাসীদের এই করুণ মৃত্যুতে তাঁদের পরিবার এবং পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।