এ বিষয়ে মেটার মুখপাত্র অ্যান্ডি স্টোন রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, এই প্রতিবেদনটি মেটার নীতির ভুল ব্যাখ্যা করেছে। তিনি দাবি করেছেন, গত ১৮ মাসে মেটা প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত ব্যবহারকারীর অভিযোগ ৫৮ শতাংশ কমাতে সক্ষম হয়েছে এবং ১৩ কোটি ৪০ লাখ ভুয়া বিজ্ঞাপন সরিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি মেটা ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও স্বার্থকে প্রাধান্য দিত, তবে তারা বিজ্ঞাপন যাচাইয়ের প্রক্রিয়া আরো কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করত। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি দেখাচ্ছে, মেটার কাছে রাজস্ব আয়ই বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, আর এতে ব্যবহারকারীর আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
প্রযুক্তিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, যদি মেটা এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নেয়, তবে ভবিষ্যতে এটি ব্যবহারকারীদের বিশ্বাস হারাতে পারে এবং প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড ভ্যালু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।