উপদেষ্টা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের সরকার জুলাই গণআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনের পক্ষেই বলবে, এটিই তার কাজ। সেজন্য আমরা ‘হ্যাঁ’ বলছি। এই ‘হ্যাঁ’ গণমানুষের বৃহত্তর স্বার্থে। এর মাধ্যমে সমাজে এক ধরনের পরিবর্তন যেন আমরা নিয়ে আসতে পারি। এ দেশে গণতন্ত্র বহাল থাকে, বৈষম্যগুলো তীব্র না হয়ে ওঠে, বৈষম্যগুলোর অবসান ঘটে এ আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের এ আয়োজন।
তিনি বলেন, আমরা যে সমস্যায় বারবার পড়ি, সেই সমস্যা থেকে উত্তরণ হতে পারব। আমাদের দেশটাকে একটা গণতান্ত্রিক এবং বৈষম্যহীন দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারব। এটিই হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান।
উপদেষ্টা আরও বলেন, চব্বিশে যে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, বর্তমান সরকার সেই অভ্যুত্থানের ফসল। ফলে এ সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে গণঅভ্যুত্থানে যে জনআকাঙ্ক্ষার প্রকাশ ঘটেছে, তা বাস্তবায়ন করা। সরকার তিনটি বিষয়কে বেছে নিয়েছে বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন।
সভায় জেলা প্রশাসক শাহাদাত হোসেন মাসুদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, সিভিল সার্জন ডা. একেএম শাহাব উদ্দীনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা।