calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / অন্যান্য / গোসল ফরজ হয় যে ৭ কারণে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অন্যান্য বিশেষ প্রতিবেদন

গোসল ফরজ হয় যে ৭ কারণে

ইসলামে ইবাদত কবুল হওয়ার মূল শর্ত হলো পবিত্রতা। পবিত্রতার অবর্তমানে নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত ও কিছু নির্দিষ্ট ইবাদত মহান আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না। আল্লাহ তাআলা কুরআনে ইরশাদ করেছেন—

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ • দুপুর ০২:০৮
history আপডেট: ৮ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২২১ বার পঠিত

اِنَّ اللّٰهَ یُحِبُّ التَّوَّابِیۡنَ وَ یُحِبُّ الۡمُتَطَهِّرِیۡنَ

‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন।’ (সুরা বাকারা: আয়াত ২২২)

তাই একজন মুমিনের জন্য জানা অত্যন্ত জরুরি— কোন কোন অবস্থায় গোসল করা ফরজ হয়ে যায়। সে অবস্থাগুলো কী? যে অবস্থাতে গোসল না করলে সে পবিত্র হয় না। আল্লাহ তাআলা আরো নির্দেশ দিয়েছেন—

وَ اِنۡ كُنۡتُمۡ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوۡا ؕ

‘আর যদি তোমরা অপবিত্র হও, তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও।’ (সুরা মায়েদা: আয়াত ৬)



কেন গোসল ফরজ হয়?

যেসব কারণে একজন মুসলিমের ওপর গোসল করা বাধ্যতামূলক, তাহলো—

১. সহবাসের পর: স্বামী-স্ত্রীর মিলনে বীর্যপাত হোক বা না হোক, উভয়ের ওপর গোসল ফরজ।

২. স্বপ্নদোষের পর: ঘুমের ঘোরে উত্তেজনা অনুভূত হলে বা পোশাকে নাপাকির চিহ্ন থাকলে।

৩. বীর্যপাতের পর: জাগ্রত অবস্থায় উত্তেজনার সঙ্গে বীর্য বের হলে। আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দেন-

وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُواْ

‘আর যদি তোমরা অপবিত্র হও তবে সারা দেহ পবিত্র করে নাও।’ (সুরা মায়েদা, আয়াত : ৬)

হাদিসে এসেছে—

إِذَا أَفْرَغَ أَحَدُكُمْ مِنَ الْجِمَاعِ فَلْيَغْتَسِلْ

‘যখন তোমাদের একজন যৌন সম্পর্ক শেষ করে, তখন সে গোসল করুক।’

৪. মাসিক (হায়েজ) সমাপ্তির পর: নারীদের মাসিক ঋতুস্রাব পুরোপুরি বন্ধ হলে। আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الْمَحِيضِ قُلْ هُوَ أَذًى فَاعْتَزِلُوا النِّسَاءَ فِي الْمَحِيضِ وَلَا تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّىٰ يَطْهُرْنَ

‘তোমরা যদি নারীদের মাসিকের ব্যাপারে জানতে চাও, বলো যে এটি অশুচি; সেই সময় তাদের থেকে দূরে থাকো যতক্ষণ না তারা পরিশুদ্ধ হয়।’ (সূরা বাকারা: আয়াত ২২২)

৫. নিফাস সমাপ্তির পর: সন্তান প্রসবের পর (৪০ দিন) রক্তস্রাব বন্ধ হলে।

৬. ইসলাম গ্রহণের পর: কোনো অমুসলিম ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করলে গোসল করা বাধ্যতামূলক।

৭. মৃত্যুর পর: কোনো মুসলিম মৃত্যুবরণ করলে তাকে গোসল দেওয়া জীবিতদের ওপর ফরজ।

পবিত্রতা কেবল বাহ্যিক পরিচ্ছন্নতা নয়; এটি মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের চাবিকাঠি। উপরের কোনো কারণে গোসল ফরজ হলে অলসতা না করে দ্রুত পবিত্র হওয়া উত্তম। সঠিক নিয়মে ফরজ গোসল সম্পন্ন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক, যাতে ইবাদত কবুল হয় এবং আল্লাহর কাছে নৈকট্য বৃদ্ধি পায়।