তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে খাল, নদী ও জলাশয় খনন, পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা জোরদার এবং সেচব্যবস্থার উন্নয়ন হবে। শুকনো মৌসুমে যাতে কৃষকরা চাষাবাদের জন্য পর্যাপ্ত পানি পান, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। খুব দ্রুত বাস্তবায়নে দুই দফা জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন হলে উত্তরাঞ্চলে পানি সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়বে, কৃষি উৎপাদন স্থিতিশীল হবে এবং খরার প্রভাব অনেকাংশে কমে আসবে। পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলকে খরা থেকে মুক্ত করা এবং কৃষকের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সর্বশেষ তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশ, উন্নয়ন হবে বাংলাদেশ।