অস্ট্রেলিয়ার গবেষকদের তৈরি এই প্রযুক্তিতে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ জৈব আঠা এবং থ্রি-ডি প্রিন্টিং কলমসদৃশ একটি যন্ত্র, যার নাম বায়োপেন। এই যন্ত্রের মাধ্যমে ভাঙা হাড়ের স্থানে বিশেষ জেল প্রয়োগ করা হয়। এরপর অতিবেগুনি রশ্মি বা বিশেষ আলো প্রয়োগ করলে আঠাটি দ্রুত শক্ত হয়ে হাড়ের মতো মজবুত কাঠামো তৈরি করে।
গবেষকদের মতে, এ পদ্ধতি ব্যবহারে ভাঙা হাড় দ্রুত জোড়া লাগতে পারে এবং দীর্ঘদিন প্লাস্টার বা ধাতব যন্ত্রপাতির ওপর নির্ভরতা কমে আসবে। বিশেষ করে অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকেরা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে এটি প্রয়োগ করে আরও নিখুঁতভাবে হাড় স্থির করতে পারবেন।
বর্তমানে হাড় ভাঙার চিকিৎসায় প্লাস্টার, ধাতব পাত বা স্ক্রুর ব্যবহারই প্রচলিত। তবে নতুন এই প্রযুক্তি চিকিৎসাবিজ্ঞানে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
চিকিৎসা প্রযুক্তির দ্রুত উন্নয়নের এই সময়ে ‘বায়োপেন’ ভবিষ্যতে অর্থোপেডিক চিকিৎসায় এক নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। গবেষকদের আশা, একদিন হয়তো প্লাস্টার ব্যবহারের বিষয়টি চিকিৎসা ইতিহাসের অংশ হয়ে যাবে।