মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘তনু হত্যা মামলায় সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমরা ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলাম। আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। আমরা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছি।’
গ্রেফতারের খবর পেয়ে তনুর বাবা-মা ও ছোট ভাই রুবেল হোসেন আদালতে ছুটে যান। সেখানে তনুর বাবা ইয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাফিজুরকে যথাযথ জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অনেক কিছু বেরিয়ে আসতে পারে। আমি এ ঘটনায় জড়িত সব আসামির গ্রেফতার দাবি করছি।’
গত ৬ এপ্রিল এ মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা তিন সন্দেহভাজন সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা ক্রস-ম্যাচ করার জন্য আদালতের অনুমতি চেয়েছিলেন। বিচারক তাকে সে অনুমতি দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত মামলার ৮০টি ধার্য তারিখ পার হয়েছে এবং ৪টি সংস্থার ৭ তদন্ত কর্মকর্তা মামলাটি পরিচালনা করেছেন।