হজের ক্ষেত্রে—
হজের ক্ষেত্রের যদি হয় তবে ইহরাম পরিধান করবেন, পিরিয়ড কোনো সমস্যা নয়। তারপর মিনায় যাওয়া ও অবস্থান করা, আরাফায় যাওয়া ও অবস্থান করা, দোয়া পড়া, তালবিয়া পড়া সবকিছুই করা যাবে। তারপর মুজদালিফায় যাওয়া ও অবস্থান করা। জামরাতে গিয়ে পাথর নিক্ষেপ করা সবই চলবে। শুধু নামাজ পড়া যাবে না আর হজের যে ফরজ তাওয়াফ আছে সেটা করা যাবে না। তাহলে তাওয়াফ কখন করবেন? সোজা উত্তর— যখন পবিত্র হবেন, তখন হজের ফরজ তাওয়াফ করবেন। সেটা ৫ দিন কিংবা ৭দিন পরে হলেও সমস্যা নেই।