calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / অন্যান্য / কাঁচা আমে বার্ধক্যের ‘প্রতিষেধক’ রয়েছে !
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অন্যান্য বিশেষ প্রতিবেদন

কাঁচা আমে বার্ধক্যের ‘প্রতিষেধক’ রয়েছে !

দুনিয়াজুড়ে এখন এনজাইম এক্সফোলিয়েটরের জয়জয়কার। কোরিয়ান গ্লাস স্কিন বা কাচের মতো ত্বক পেতে অনেকেই হাজার হাজার টাকা খরচ করে কিনছেন সেই প্রসাধনী। দামি ব্র্যান্ডের নামি পণ্যে ঝকঝকে হয়ে উঠছে ত্বক। দেখাচ্ছে টান টান।...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ • দুপুর ০১:৩৬
history আপডেট: ৫ মাস আগে
timer ৭ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১০১ বার পঠিত

কাঁচা আমে রয়েছে ‘ম্যাঙ্গিফেরিন’। এটি এক বিশেষ ধরনের এনজাইম, যা ত্বকের উপরের স্তরে জমে থাকা ময়লা ও মৃত চামড়ার পরত ঘর্ষণ ছাড়াই আলগা করে দেয়। পরিষ্কার করে দেয় রোমকূপের ভেতরের ময়লাও। এ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় সংবেদনশীল ত্বকের বিশেষ কোনো ক্ষতি না করেই। আর সেই বিজ্ঞান প্রয়োগ করেই বিদেশি বহু ব্র্যান্ড তৈরি করছে কাঁচা আমের নির্যাস যুক্ত এনজাইম এক্সফলিয়েটর। 

নেদারল্যান্ডস, বার্সেলোনা, চীনের জিয়াংসু ও মালয়েশিয়ার স্টেট ইউনিভার্সিটি, সরকারি ফার্মাসিউটিক্যাল টেকনোলজি বিভাগ এবং খ্যাতনামা গবেষণাগারে বিষয়টি নিয়ে বহু গবেষণা হয়েছে। তাতেই দেখা গেছে, কাঁচা আম আরও নানাভাবে ত্বকের অকালবার্ধক্য প্রতিরোধ করতে পারে। বিশেষ করে গ্রীষ্মপ্রধান দেশে। যেখানে উষ্ণ আবহাওয়া ত্বকের নানাভাবে ক্ষতি করতে পারে।

এমন তরল, যা মুখে মাখলে ত্বকে জমে থাকা ময়লা আর দিনের পর দিন জমতে থাকা মৃত চামড়ার পরত অনায়াসে উঠে যায়। নতুন করে শ্বাস নেবে ত্বকের প্রতিটি রন্ধ্র। ঝকঝক করবে মুখ, হাত, গলা ও ঘাড়ের চামড়া। বয়সও দেখাবে অনেকটা তরুণ-তরুণীর মতো। আর এসব কিছুই সম্ভব বাজারচলতি এক্সফলিয়েটর বা স্ক্রাবারের ঘষাঘষি, বালির দানার মতো কর্কশ অনুভূতি আর চড়া রাসায়নিকের ব্যবহার ছাড়া। কাঁচা আমের এনজাইমের সেই ক্ষমতা আছে বলে জানাচ্ছে বিভিন্ন গবেষণা।

আর কাঁচা আমের এনজাইম ও নানা উপকরণ শুধু ত্বককে ময়লামুক্ত করে শ্বাস নিতে সাহায্য করে না। আরও নানাভাবে সাহায্য করে। যেমন— ত্বকের টান টান ভাব চলে যাওয়া, গাল ঝুলে পড়া বা বলিরেখা পড়ার কারণ শরীরে ‘কোলাজেন’ প্রোটিন তৈরি কমে যাওয়া। কোলাজেন তৈরি করতে সাহায্য করে ভিটামিন-সি, যা কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে থাকে। এ ছাড়া এতে থাকা এনজাইম ত্বকের প্রোটিন সংশ্লেষণ বাড়িয়ে ত্বকের টান টান ভাব ও নমনীয়তা বজায় রাখতেও সাহায্য করে।

সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি ত্বকের কোষের আয়ু দ্রুত কমিয়ে দেয় কাঁচা আম। কাঁচা আমের জোরালো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের ওপর অদৃশ্য সুরক্ষাকবচ তৈরি করে, যা দূষণ ও কড়া রোদের হাত থেকে কোষগুলোকে বাঁচায়। ব্রণ থেকেও মুক্তি দেয়। এ ছাড়া রোদে পিগমেন্টেশন আর ট্যান ধরতেই পারে ত্বকে। কাঁচা আমের শাঁস সরাসরি ত্বকে লাগালে তা মেলানিন উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। রোদে পোড়া কালচে ভাব থেকে মুক্তি মেলে। ত্বক উজ্জ্বল দেখায়।

কাঁচা আমের আরও একটি অত্যন্ত কার্যকরী উপকারিতা আছে। এটি প্রাকৃতিক ‘অ্যাস্ট্রিনজেন্ট’ হিসাবে কাজ করে ত্বকের বাড়তি তেল বা সেবাম নিয়ন্ত্রণ করে। গরমের ভ্যাপসা আবহাওয়ায় অনেকেরই ত্বক অতিরিক্ত তেলতেলে হয়ে যায় এবং রোমকূপ বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। কাঁচা আমের ম্যাঙ্গেফেরিন এনজাইম ত্বকের রোমকূপগুলেঅ সংকুচিত করতে সাহায্য করে, যার ফলে ত্বক অনেক বেশি টান টান এবং মসৃণ দেখায়।

যেভাবে ব্যবহার করবেন?

বাজারে কাঁচা আমের নির্যাস সমৃদ্ধ নানা রকমের পণ্য রয়েছে। তবে কেনার আগে দেখে নিতে হবে, তাতে কৃত্রিম সুগন্ধী আর ক্ষতিকারক রাসায়নিক মেশানো থাকছে কিনা। এ ছাড়া বাজার থেকে কাঁচা আম কিনে বাড়িতে প্যাক বানিয়েও নিতে পারেন। 

চলুন জেনে নেওয়া যাক—

কাঁচা আমের ক্বাথ বা পাল্প মুখে পাতলা করে লাগিয়ে রাখুন ৫-১০ মিনিট। এরপর হালকা সুড়সুড়ি বা জ্বালা অনুভব হতে পারে, যা আসলে এনজাইমে কাজ করার লক্ষণ। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। খেয়াল রাখবেন আমের কষ যেন না লাগে।

আবার কাঁচা আমের শাঁসের সঙ্গে সামান্য দই আর মধু মিশিয়ে সপ্তাহে দুদিন লাগাতে পারেন। এটি কেবল ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করবে না, ত্বককে ভেতর থেকে আরামও দেবে।

খোসাসমেত কাঁচা আম ভালোভাবে ধুয়ে টুকরো টুকরো করে কেটে ২ কাপ পানি ভালোভাবে ফোটান। এরপর পানি অর্ধেক হলে ঠান্ডা করে নিন। এবার ছেঁকে নিন। চাইলে এর সঙ্গে গোলাপজল অথবা অ্যাপল সাইডার ভিনিগার মেশাতে পারেন অথবা কিছু না মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন। এই টোনার সেবাম নিয়ন্ত্রণ করতে, রোমকূপের মুখ বন্ধ করতে, ত্বককে টান টান করতে এবং ব্রণ কমাতে সাহায্য করে।

tag ট্যাগ: #কাঁচা আমে