কুরবানির সময় মাংস সংরক্ষণ বা রান্নায় অসতর্কতা থেকেও সমস্যা হতে পারে। অপর্যাপ্তভাবে রান্না করা বা সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা মাংসে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে, যা ফুড পয়জনিংয়ের কারণ হয়। এর ফলে বমি, ডায়রিয়া, পেট ব্যথা ও দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কয়েক দিনের মধ্যে সুস্থতা ফিরে আসে, তবে দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, উচ্চ জ্বর বা পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।
চিকিৎসকরা আরও জানান, পিত্তথলি বা অগ্ন্যাশয়ের কার্যকারিতায় সমস্যা থাকলেও চর্বিযুক্ত মাংস খাওয়ার পর হজমের জটিলতা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের ক্ষেত্রে পাতলা ও তৈলাক্ত মল, ক্ষুধামন্দা, পেট ব্যথা, ওজন হ্রাস কিংবা চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই এসব লক্ষণকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ঈদের সময় মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমিতি বজায় রাখা, খাবার নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করা এবং শরীরের যেকোনো অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার দিকে নজর রাখা প্রয়োজন। এতে উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি সুস্বাস্থ্যও বজায় থাকবে।
সূত্র: এভরিডে হেলথ