সাক্ষ্যগ্রহণের সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জব্দ তালিকায় থাকা স্বাক্ষর সম্পর্কে জানতে চাইলে পারভীন আক্তার সেটি নিজের বলে শনাক্ত করেন। একই সঙ্গে আদালতে উপস্থিত স্বপ্না আক্তারকে মামলার আসামি হিসেবেও শনাক্ত করেন তিনি।
সাক্ষ্য দেওয়ার একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন রামিসার মা। পরে বিচারক ও উভয়পক্ষের আইনজীবীরা তাকে আরও কয়েকটি প্রশ্ন করেন।
এর আগে মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন শিশুটির বাবা। বর্তমানে ভুক্তভোগীর বড় বোন শিশু হওয়ায় তার সাক্ষ্য ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে গ্রহণ করা হচ্ছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলায় মোট ১৭ সাক্ষী রয়েছেন। পর্যায়ক্রমে তাদের সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে যাবে।