বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘরে অতিরিক্ত Clutter বা জঞ্জাল শুধু জায়গা দখল করে না, এটি মানসিক চাপও বাড়াতে পারে। বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, অগোছালো পরিবেশে বসবাস করলে Stress Hormone কর্টিসলের মাত্রা বাড়তে পারে, ফলে মনোযোগ কমে যায় এবং দৈনন্দিন কাজের Productivity বা কর্মদক্ষতাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তবে সুখবর হলো, এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, একসঙ্গে পুরো ঘর নয়, ছোট ছোট অংশ দিয়ে Decluttering Process শুরু করতে। গত এক বা দুই বছরে ব্যবহার হয়নি—এমন জিনিস নতুন করে মূল্যায়ন করুন। ব্যবহারযোগ্য হলে Donate করুন, নষ্ট হলে Recycle করুন। আর শুধুমাত্র স্মৃতির কারণে কোনো জিনিস ধরে রাখতে চাইলে সেটির একটি ছবি রেখে দেওয়াই যথেষ্ট হতে পারে।
জীবনযাপনের আধুনিক দর্শন Minimalism বলছে, সুখ সবসময় বেশি জিনিসে নয়; বরং প্রয়োজনীয় জিনিসে সীমাবদ্ধ থাকার মধ্যেই রয়েছে মানসিক স্বস্তি। কারণ অনেক সময় আমরা জিনিসপত্র জমিয়ে রাখি, কিন্তু বুঝতে পারি না—এক পর্যায়ে সেই জিনিসগুলিই আমাদের মানসিক Space দখল করে নেয়।
তাই ঘর গোছানোর পরবর্তী অভিযানে নিজেকে একটি প্রশ্ন করতেই পারেন—আপনি কি জিনিসগুলোকে ধরে রেখেছেন, নাকি জিনিসগুলোই আপনাকে আটকে রেখেছে?