এরশাদ হোসেন নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, দিনের বেলায় আমরা নিজ নিজ পেশাগত কাজে ব্যস্ত থাকলেও রাত হলেই সীমান্ত এলাকায় এসে বিজিবি সদস্যদের পাশে দাঁড়াই। সীমান্তে যেন কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, সেজন্য আমরা স্বেচ্ছায় রাতভর পাহারা দিচ্ছি।
নিয়মিত টহলে অংশ নেওয়া আনসার সদস্য রাজু আহমেদ বলেন, বিজিবির পাশাপাশি আনসার বাহিনী যুক্ত হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন আরও শক্তিশালী হয়েছে।
জামালপুর ব্যাটালিয়নের (৩৫ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, সীমান্তে পুশইন প্রতিরোধ ও সার্বিক নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও বেগবান করতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা বিজিবিকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছে।