calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / অন্যান্য / দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি বাবাদের অবহেলা ডেকে আনছে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
অন্যান্য বিশেষ প্রতিবেদন

দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি বাবাদের অবহেলা ডেকে আনছে

আমাদের জীবনে বাবাদের অবদান ও ত্যাগকে স্বীকৃতি জানাতে প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার বাবা দিবস পালন করা হয়। এই বিশেষ দিনটি পরিবারগুলোকে তাদের বাবাদের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সুযোগ করে দেয়।...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ • বিকাল ০৪:০১
history আপডেট: ৩ মাস আগে
timer ৬ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৭৫ বার পঠিত

তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বাবারা নিজের চেয়ে পরিবারের স্বাস্থ্য ও কল্যাণের দিকেই বেশি নজর দেন। ফলস্বরূপ, তারা নিজেরা অসুস্থ হলেও ডাক্তারের কাছে যেতে দেরি করেন, শারীরিক উপসর্গগুলোকে উপেক্ষা করেন এবং পরিবারের চাহিদা মেটাতে গিয়ে নিজেদের মানসিক ও আবেগীয় স্বাস্থ্যের অবহেলা করেন।

ভারতের গুরুগ্রামের ফোর্টিস মেমোরিয়াল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের প্রিন্সিপাল ডিরেক্টর এবং ইউনিট প্রধান ড. সতীশ কউল বলেন, ‘পিতৃত্ব শব্দটির সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে দায়িত্ব, ত্যাগ এবং পরিবারের প্রতি অবিচল প্রতিশ্রুতি। প্রিয়জনদের মানসিক, আর্থিক ও শারীরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে গিয়ে অনেক বাবাই নিজের স্বাস্থ্যকে পেছনে ঠেলে দেন। এই ত্যাগ প্রশংসনীয় হলেও, এর জন্য তাদের চড়া ব্যক্তিগত মূল্য চোকাতে হয়। কাজের চাপ এবং পারিবারিক বাধ্যবাধকতার কারণে পুরুষরা প্রায়ই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান না, রোগের লক্ষণ লুকিয়ে রাখেন এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে অবহেলা করে এক অস্বাস্থ্যকর জীবনধারা বেছে নেন।’ 

নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া কেন জরুরি?

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাবাদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণে নিজস্ব স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেওয়া অত্যন্ত জরুরি:

পরিবারের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে থাকা: সুস্বাস্থ্য বজায় থাকলে একজন বাবা তার সন্তানদের জীবনে আরও বেশি সময় দিতে এবং সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন। একজন সুস্থ বাবা সন্তানদের সঙ্গে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারেন, যা পারিবারিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।

সন্তানদের জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন: নিজের শরীরের যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে বাবারা সন্তানদের একটি ইতিবাচক শিক্ষা দেন। এর ফলে সন্তানরাও ছোটবেলা থেকেই আত্মপরিচর্যা ও সুস্থতার গুরুত্ব বুঝতে শেখে। 

মানসিক চাপ মোকাবিলা: সন্তান লালন-পালন ও পারিবারিক দায়িত্ব পালন করা বেশ মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। একজন মানসিকভাবে সুস্থ বাবা যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি আরও দক্ষতার সঙ্গে সামলাতে পারেন। 

দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ও সতর্কতা 

ড. কউলের মতে, নিজের স্বাস্থ্যকে অবহেলা করার পরিণতি শুধু বাবাদের একার ওপর নয়, বরং তাদের ওপর নির্ভরশীল পুরো পরিবারের ওপরই পড়ে। শারীরিক ও মানসিক অবহেলার কারণে দীর্ঘস্থায়ী রোগ, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং শক্তি কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা পরোক্ষভাবে পরিবারের যত্ন নেওয়ার ক্ষমতাকে ব্যাহত করে।

তাই সঠিক সময়ে নিজের যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে বাবারা অনেক বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারেন। 

সবশেষে, বাবা দিবস কেবল বাবাদের অবদানের উদযাপনের দিনই নয়, বরং এটি তাদের নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন হওয়ার একটি জরুরি অনুস্মারক। বাবারা যদি নিজেদের স্বাস্থ্যের যত্ন নেন, তবে তা কেবল তাদের নিজেদেরই ভালো রাখবে না, বরং পুরো পরিবারের সামগ্রিক কল্যাণ ও সুখ নিশ্চিত করবে। 

সূত্র: এনডিটিভি