মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে মাসিক ১৫ হাজার টাকা বেতনের বাহিরে ভোলার হুজুরের আয়ের আর কোনো বৈধ উৎস নেই। এমনকি তিনি কোনো ওয়াজ মাহফিলেও যান না, নেই কোনো ব্যবসায়িক পরিচিতি। তবুও নিজ গ্রাম ও এলাকায় গড়ে তুলেছেন বিপুল পরিমাণ সম্পদের পাহাড়। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। এই সামান্য বেতনের চাকুরী করা হুজুর রাতারাতি কীভাবে এতো বিত্ত-বৈভবের মালিক হলেন? এলাকাবাসীর ধারণা, মাদ্রাসাকে পুঁজি করে ভবন নির্মাণ কাজ ও ত্রাণ সামগ্রীর টাকা আত্মসাৎ করেই তিনি অবৈধ সম্পদের এই সাম্রাজ্য গড়েছেন।
_*প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে ত্রাসের রাজত্ব:*_
ভোলার হুজুর নিজেকে উপজেলা প্রশাসনের খুব কাছের মানুষ দাবি করে সাধারণ মানুষের মুখ বন্ধ রাখার চেষ্টা করেন। তার দাবি অনুযায়ী রায়পুর থানা ও উপজেলা প্রশাসন তার হাতের মুঠোয়। এই দোহাই দিয়ে এলাকাবাসীর প্রতিবাদকেও তিনি যেনো পাত্তাই দিচ্ছেন না। কিন্তু হাফেজ্জী হুজুর (রহ.)-এর প্রতিষ্ঠিত এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটিকে এভাবে ধ্বংস হতে দেওয়া যায় না বলে মনে করছেন স্থানীয় জনসাধারণ।
“ভোলা হটাও, মাদ্রাসা বাঁচাও”
বর্তমানে ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় মানসম্মত ভবন নির্মাণ যেখানে জরুরি, সেখানে নিম্নমানের ইট-বালু ও ছাত্রদের দিয়ে বেকার খাটিয়ে যে ভবন তোলা হচ্ছে, তা ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। লুধুয়ার সাধারণ মানুষ ও দানশীল ব্যক্তিরা এখন সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ। তাদের একটাই স্লোগান “ভোলা হটাও, মাদ্রাসা বাঁচাও”।
এখনই অযোগ্য ও অদক্ষ ঠিকাদারকে সরিয়ে পেশাদার দক্ষ ঠিকাদারের মাধ্যমে মাদ্রাসার ভবন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা প্রয়োজন। সেই সাথে ভোলার হুজুরের আয়ের উৎসসহ আর্থিক বিষয় তদন্ত করা না হয়, তবে এলাকার মানুষ কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে বলে ক্ষোভ জানিয়েছেন।