বিকাশের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ বলেন, “নিরাপদ, তাৎক্ষণিক ও নিরবচ্ছিন্ন রেমিট্যান্স সেবার মাধ্যমে বিকাশ প্রবাসী বাংলাদেশি ও তাদের পরিবারের আস্থা অর্জন করেছে। এ ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিকাশ লাখো প্রবাসী বাংলাদেশির কাছে রেমিট্যান্স গ্রহণের একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং দেশে বৈদেশিক রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। রেমিট্যান্স উপার্জনকারী ও তাদের পরিবারের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় অবদান রাখতে বিকাশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা বলেন, “মাস্টারকার্ডে আমরা এমন একটি পেমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে কাজ করছি, যা দ্রুত, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক। বিকাশের সঙ্গে এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ সরাসরি মোবাইল ওয়ালেটে কিংবা বিভিন্ন ক্যাশ পিকআপ পয়েন্টের মাধ্যমে এখন আরও সহজে বিদেশ থেকে অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন। একসঙ্গে আমরা সীমান্ত-পারাপার অর্থ লেনদেনের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এগিয়ে নিতে কাজ করছি।”
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ রেমিট্যান্স গ্রহণকারী দেশ। একইসঙ্গে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের বিস্তৃত ব্যবহার দেশের মানুষের জন্য রেমিট্যান্স গ্রহণকে আরও সহজলভ্য করে তুলছে। বর্তমানে দেশে ২৩ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্ট রয়েছে এবং ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স গ্রহণের প্রবণতা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এই সহযোগিতা নিরাপদ ও আনুষ্ঠানিক রেমিট্যান্স চ্যানেলের ব্যবহার উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের চলমান প্রচেষ্টাকেও সমর্থন করে। একইসঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসকারী পরিবারগুলোর জন্য বিদেশ থেকে পাঠানো অর্থ গ্রহণের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও সুবিধাজনক করে তুলবে।