calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / তথ্য ও প্রযুক্তি / অফিস অবকাশেও : ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের সুপারইয়টকে ভাসমান সদর দফতরে রূপ দিলেন গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
তথ্য ও প্রযুক্তি বিশেষ প্রতিবেদন

অফিস অবকাশেও : ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের সুপারইয়টকে ভাসমান সদর দফতরে রূপ দিলেন গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা

বিশ্বের ধনকুবেরদের কাছে বিলাসবহুল সুপারইয়ট সাধারণত অবকাশযাপন, আড্ডা কিংবা ব্যক্তিগত ভ্রমণের মাধ্যম হিসেবেই পরিচিত। তবে গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিন সেই প্রচলিত ধারণাকে এক ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে গেছেন। তিনি তাঁর...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ • সন্ধ্যা ০৭:০৫
history আপডেট: ২ মাস আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৭০ বার পঠিত

জার্মানির খ্যাতনামা জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান লুরসেন (Lürssen) নির্মিত এই সুপারইয়টটি ২০২৪ সালে তাঁর কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরিবেশবান্ধব হাইব্রিড প্রযুক্তি, শক্তিশালী স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং অত্যাধুনিক সুবিধার সমন্বয়ে নির্মিত নৌযানটিকে বিশ্বের অন্যতম ব্যতিক্রমী ব্যক্তিগত ইয়ট হিসেবে গণ্য করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়ার পর থেকে সের্গেই ব্রিন আবারও গুগলের AI প্রকল্পগুলোতে সরাসরি ভূমিকা রাখছেন। কাজের গতি ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই তিনি সমুদ্রের বুকেও এই স্থায়ী কর্ম পরিবেশ তৈরি করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

 

প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা প্রায়শই তাঁদের ব্যক্তিগত জেট বা ইয়ট থেকে কাজ করলেও, সুবিশাল কোনো ইয়টের আস্ত একটি ডেককে স্থায়ী অফিসে রূপান্তরের ঘটনা অত্যন্ত বিরল। ফলে ‘ড্রাগনফ্লাই’ এখন কেবল বিলাস ব্যসনের অংশ নয়, বরং করপোরেট কর্মসংস্কৃতির এক নতুন ধারার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল প্রযুক্তির বিকাশে অফিসের চিরাচরিত ধারণায় দ্রুত পরিবর্তন আসছে। উচ্চগতির স্যাটেলাইট ইন্টারনেট, নিরাপদ ডেটা নেটওয়ার্ক এবং ক্লাউডভিত্তিক সুবিধার কারণে এখন বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকেই বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের বৈশ্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব—সের্গেই ব্রিনের এই উদ্যোগ তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

tag ট্যাগ: #অফিস