গবেষণা বলছে, আগে উচ্চশিক্ষিত নারীদের জন্য সুশিক্ষিত পুরুষ জীবনসঙ্গী পাওয়াটা বেশ সহজ ছিল। কিন্তু বর্তমান চিত্র ভিন্ন। পড়াশোনায় এখন মেয়েরাই এগিয়ে। হাই স্কুলের জিপিএ-র তলানিতে থাকা ১০ শতাংশ শিক্ষার্থীর মধ্যে ছেলেদের সংখ্যা মেয়েদের দ্বিগুণ। ফলে ছেলেদের কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির হারও কমে গেছে।
উচ্চশিক্ষিত নারীরা নিজেদের বিয়ের হার ঠিক রেখেছেন ‘বেশি আয় করে কিন্তু ডিগ্রি নেই’—এমন পুরুষদের জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়ে । ফলে ডিগ্রিহীন নারীদের জন্য ধনী বা ভালো উপার্জনক্ষম পাত্র পাওয়ার সুযোগ মারাত্মকভাবে কমে গেছে। গবেষণা বলছে, পুরুষদের অবস্থার এই অবনতি মূলত কম শিক্ষিত নারীদের বিয়ের সম্ভাবনাকেই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
ভবিষ্যতে এর বড় প্রভাব পড়বে। মিলেনিয়াল ও জেনারেশন জি প্রজন্মের যেসব নারীর ডিগ্রি নেই, তাদের বড় অংশই শেষ পর্যন্ত অবিবাহিত থেকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কম শিক্ষিত ও কম আয়ের পুরুষদের সঙ্গে জীবন গড়ার চেয়ে একা থাকাই ভালো মনে করবেন তারা। এই ধারা চলতে থাকলে মার্কিন নারীদের জন্য সামনে একটি বড় সংকট তৈরি হতে পারে।
মরগান স্ট্যানলির ২০২৫ সালের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে নারীরা পুরুষদের তুলনায় গড়ে পাঁচ বছর বেশি বেঁচে থাকেন। অবসর নেওয়ার সময় তাদের জমানো টাকার পরিমাণ পুরুষদের তুলনায় প্রায় ৩৯ শতাংশ কম থাকে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান ‘ফারদার’-এর এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অবিবাহিত নারীদের তুলনায় বিবাহিত নারীদের আয় বেশি হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নারীদের বাড়তি স্বাস্থ্যসেবা খরচ এবং বেতনের ব্যবধান। এই সবকিছুর কারণে জেনারেশন জি এবং মিলেনিয়াল প্রজন্মের নারীদের জন্য সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।