ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালে নুসরাতের সংস্থা ৪২৯ জনের কাছ থেকে পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার রুপি করে নেয়। তাদের মধ্যে ছিলেন–একটি ব্যাঙ্কের অবসর প্রাপ্ত কর্মচারীসহ বেশ কিছু চাকরিজীবী। তাদের বলা হয়েছিল, তিন বছরের মধ্যে রাজারহাট হিডকোর কাছে প্রত্যেককে তিন বেডের ফ্ল্যাট দেওয়া হবে। কিন্তু ২০২৩ সাল অর্ধেক কেটে যাওয়ার পরেও আজ পর্যন্ত ফ্ল্যাট পাননি কেউই। তাই বাধ্য হয়েই ইডির দ্বারস্থ হয়েছেন অভিযোগকারীরা।
ইতোমধ্যেই ভুক্তভোগীরা দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়াহাট থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন। আলিপুর কোর্টে দায়ের করা হয়েছে মামলাও। যেখানে যেখানে সম্ভব হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরা এই বিষয়ে অভিযোগ করেছেন, কিন্তু ফেরত পাননি টাকা। তাই সোমবার ইডির কাছেও বিষয়টি জানিয়েছেন তারা।
বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পন্ডা জানান, আলিপুর আদালত থেকে একাধিকবার তলব করা হয় তৃণমূল সাংসদ নুসরতকে। কিন্তু তিনি সমন পেয়েও কোর্টে যাননি।