তিনি বলেন, শুটিং শেষে কলকাতায় ফিরে গেলেও সিনেমা মুক্তির পর বাংলাদেশের দর্শকদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছেন, তা তার কল্পনারও বাইরে ছিল।
ছবিটি মুক্তির পর মাকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় এসে বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সে সাধারণ দর্শকদের সঙ্গে বসেই সিনেমাটি উপভোগ করেছিলেন ইধিকা। মুখে মাস্ক থাকলেও সিনেমা শেষে দর্শকরা তাকে চিনে ফেলেন। সেই মুহূর্তের উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসা আজও তার হৃদয়ে গেঁথে আছে বলে জানান তিনি।
‘প্রিয়তমা’কে নিজের জীবনের অন্যতম আশীর্বাদ উল্লেখ করে ইধিকা বলেন, গল্পনির্ভর এমন সিনেমায় বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে আবারও কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে তার। তবে সেই সুযোগ কবে আসবে, তা তিনি জানেন না।