যুক্তরাষ্ট্রের ৬৯৪টি সিনেমা হলে পাঠান মুক্তি পেয়েছে। উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে হিন্দি ছবি হিসেবে পাঠানের প্রথম দিনের আয় সর্বোচ্চ। সিনেমাটি মুক্তির দিন ১৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় ১৫ কোটি রুপি আয় করে। উত্তর আমেরিকার ৬৯৪টি সিনেমা হলে সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তিপ্রাপ্ত যেকোনো সিনেমার তুলনায় পাঠানের আয় সবচেয়ে বেশি। আয়ের গড় হিসাবে হলিউডকেও টেক্কা দিচ্ছেন শাহরুখ।
আয়ের হিসেবে হলিউডের ৩টি ছবি এখন কেবল পাঠানের সামনে রয়েছে। এই তালিকায় পাঠানের আগে রয়েছে অ্যাভেটার: দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার, পুস ইন দ্য বুটস: দ্য লাস্ট উইশ এবং এ ম্যান কলড ওটো। সাফল্যের এ ধারা অব্যাহত থাকলে সেরা গড়ের তালিকায় তৃতীয় কিংবা চতুর্থ স্থানে শেষ করতে পারে পাঠান, এমনটি মনে করা হচ্ছে।
গত বুধবার (২৫ জানুয়ারি) মুক্তি পায় পাঠান। এই ছবির মতো এতো বিরাট পরিসরে এর আগে ভারতের কোনো সিনেমা আত্মপ্রকাশ করেনি। ১০০টিরও বেশি দেশে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি, ভারতে সাড়ে ৫ হাজারটি এবং বিদেশে ২৫০০টি হলে মুক্তি পায় পাঠান। প্রথম দিনেই ছাড়ায় ১০০ কোটির ক্লাব। চতুর্থ দিন পর্যন্ত ৪২৯ কোটি রুপি আয় ছিল পাঠানের। পরিসংখ্যান বলছে, রোববার অর্থাৎ মুক্তির পঞ্চম দিনে বিশ্বে পাঠানের আয় দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৫০০ কোটি। আয়ের গ্রাফ বেড়েই চলেছে রীতিমতো।
শাহরুখের সর্বশেষ ছবিতে প্রত্যাশিত সাফল্য ছিল না। তাই ‘পাঠান’-এর বক্স অফিসের আয় নিয়ে আশঙ্কিত ছিলেন অনেকে। তবে পাঁচ দিনের শেষে বক্স অফিসের পরিসংখ্যান বলছে, যাবতীয় আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছে ‘পাঠান’।