সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে ওপেন এআইয়ের ‘সোরা’ টুল দিয়ে নির্মিত ‘দ্য ফ্রস্ট’, যেখানে তুষারঢাকা কাল্পনিক গ্রহে সম্পূর্ণ এআই-নির্মিত চরিত্র ও পরিবেশে গড়ে উঠেছে গল্প। এনবিএ ফাইনালে প্রচারিত মাত্র ২ হাজার ডলারে নির্মিত একটি এআই বিজ্ঞাপন ইতোমধ্যেই দেখেছে দুই কোটির বেশি দর্শক।
অন্যদিকে, পিকা ল্যাবস প্ল্যাটফর্মে তৈরি ‘ব্লিঙ্ক টেস্ট’ এআইয়ের আবেগ ও নান্দনিকতার প্রশ্ন সামনে এনেছে। ভারতে এআই শর্টস প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত ‘এথিকস অব এআই’ সিনেমাটি প্রযুক্তি ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব ঘিরে ভাবনার জন্ম দিয়েছে।
এআই প্রযুক্তির মূল আকর্ষণ হলো অল্প খরচ, কম সময় ও সর্বজনগ্রাহ্যতা। কোনো লোকেশন, ক্যামেরা বা অভিনেতা ছাড়াই স্ক্রিপ্ট লিখে ভিডিও তৈরি করা যাচ্ছে। রানওয়ে এমএল, পিকা ল্যাবস, সিনথেসিয়া, ইলেভেন ল্যাবস ও অ্যাডোবি ফায়ারফ্লাইয়ের মতো টুলগুলো ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি, ভয়েসওভার, চরিত্র নকশা, এমনকি আলোর ব্যবস্থাপনাও করা সম্ভব।
এ প্রযুক্তি যেমন নতুন নির্মাতাদের জন্য দুয়ার খুলছে, তেমনি সিনেমা শিল্পে কর্মসংস্থান ও সৃজনশীলতার সংকোচনের শঙ্কাও তৈরি করছে। তবে যারা বাজেটের অভাবে নিজের গল্প বলতে পারেন না, তাদের জন্য এআই হতে পারে এক নতুন আশার নাম।