calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / বিনোদন / ডলি সায়ন্তনীর সংসার ভেঙে যায় দুলাভাই পরিচয়ে ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়া,
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
বিনোদন বিশেষ প্রতিবেদন

ডলি সায়ন্তনীর সংসার ভেঙে যায় দুলাভাই পরিচয়ে ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়া,

সংগীতশিল্পী দম্পতি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন ডলি সায়ন্তনী ও রবি চৌধুরী। হুট করেই তারা বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন। বিষয়টি অবাক করেছিলো গানপাড়ার মানুষদের এবং দুই তারকার ভক্তদেরও। কিন্তু কেন ভেঙে গিয়েছিলো ভালোবেসে গড়া সংসার?...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬ • দুপুর ০২:০৮
history আপডেট: ৭ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৩৬ বার পঠিত

‘প্রেম দাও’খ্যাত গায়ক রবি চৌধুরীর দাবি অনুযায়ী, কোরিয়া থাকাকালীন বিপ্লব নামের এক ব্যক্তির সাথে তাদের পরিচয় হয়। সেই লোক সেখানে তাদের গাড়ি চালাতো। তার সঙ্গে পরবর্তীতে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ডলি।

 

রবি জানান, ডলির ফোনে একটি নম্বর ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ছিল। সেই নম্বরটির নিয়ে তার মনে সন্দেহের দানা বাঁধে। তিনি খোঁজ খবর করলে জানতে পারেন ‘দুলাভাই’ হিসেবে ফোনে নাম সেভ করা ওই ব্যক্তির আসল নাম বিপ্লব। তিনি কোরিয়া থাকেন। গাড়ি চালান। যখন রবি ও ডলি কোরিয়া গিয়েছিলেন তখন তাদের গাড়ি চালাতেন তিনি।

পরবর্তীতে সব সন্দেহ মজবুত হলে ডলির অভিভাবক হিসেবে তার বড় ভাই বাদশা বুলবুলকে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করা হলে দেখা যায় ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই। তখনই ডলিকে ডিভোর্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।

রবি আরও উল্লেখ করেন, সেসময় ধরা পড়ে গিয়ে ডলি মিডিয়ার কাছে বিপ্লবকে তার ‘ভাগিনা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিচ্ছেদের কয়েক মাস পরই ডলি ওই বিপ্লবের বাড়ি যান। তার বাড়ি ছিলো ‘ফুলজানি’ গ্রামে। তখন বিষয়টি আবারও সংবাদের শিরোনাম হয়।

 

রবির মতে, এই ঘটনার মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে যে তার সন্দেহ সঠিক ছিলো। ডলি সায়ন্তনী ওই গাড়ি চালক বিপ্লবের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন।

 

পুরনো এই তিক্ততা প্রসঙ্গে রবি বলেন, ‘শেষে তো প্রমাণিত হলো যে আসলেই আমার সন্দেহ ঠিক ছিলো। যখন ডলি ওই বিপ্লবের গ্রামে গেল তখন অনেক সংবাদ প্রকাশ হলো। সেসময় সবাই বুঝতে পারলেন যে রবি ঠিক ছিলো।’

 

তবে ডলি তার সন্তানের মা হওয়ায় রবি চৌধুরী বিষয়টি নিয়ে আর বেশি কিছু বলতে চান না বলেও জানান। তার স্বস্তি এটাই যে সত্য শেষ পর্যন্ত সত্য হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।