কিশোর বয়সেই বড় ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ঝিনাইদহ থেকে ঢাকায় পাড়ি জমান তিনি। পরে পরিচিতজনের মাধ্যমে যোগাযোগ হয় নির্মাতা শহীদুল ইসলাম খোকনের সঙ্গে। তাঁর সাহস ও আগ্রহে মুগ্ধ হয়ে খোকন শিমলাকে সুযোগ দেন ‘ম্যাডাম ফুলি’ ছবিতে। মুক্তির পর ছবিটি দর্শকপ্রিয়তা পায় এবং প্রথম চলচ্চিত্রেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতে নেন শিমলা।
এই সাফল্যের পর ‘পাগলা ঘণ্টা’ ও ‘ভেজা বেড়াল’-সহ বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করে ঢালিউডে নিজের অবস্থান তৈরি করেন তিনি। অল্প সময়েই প্রায় ৩৫টির মতো ছবিতে অভিনয় করলেও ২০১৫ সালের পর থেকে অনিয়মিত হয়ে পড়েন। তাঁর মতে, ক্যারিয়ারে প্রত্যাশিত সংখ্যক কাজ না পাওয়ার পেছনে পরিচালকদের ব্যস্ততাও একটি কারণ ছিল। পাশাপাশি নিজের পছন্দসই চরিত্র না পাওয়ায়ও অনেক কাজ ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।
তবে কম কাজ নিয়ে আক্ষেপ নেই শিমলার। দর্শকদের কাছে ‘ম্যাডাম ফুলি’ চরিত্রে স্মরণীয় হয়ে থাকাকেই তিনি নিজের বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখেন।
পরবর্তীতে বলিউডে কাজের আশায় মুম্বাইয়ে সময় কাটান শিমলা। ‘সফর’ নামের একটি ছবিতে কাজ করার কথাও জানিয়েছিলেন, যদিও সেই প্রকল্প আর সামনে আসেনি। পরে দেশে ফিরে ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’ ছবিতে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন, যদিও ছবিটি সেন্সরে আটকে যায় এবং কিছু দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।
দীর্ঘদিন আড়ালে থাকার পর সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে হঠাৎ করেই আলোচনায় উঠে আসেন এই অভিনেত্রী। একসময় আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে দেখা গেলেও পরে ভিন্ন প্রতীকের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। এ বিষয়ে শিমলার বক্তব্য, তিনি মূলত একজন শিল্পী এবং কোনো নির্দিষ্ট দলের সঙ্গে নিজেকে আবদ্ধ মনে করেন না; শিল্পী হিসেবে যাকে ইচ্ছা তার পক্ষেই সমর্থন জানাতে পারেন।