আসিফ আকবর লেখেন, জনবহুল বাংলাদেশে ষষ্ঠ মৌলিক চাহিদা হিসেবে বিনোদনকে স্বীকৃতি দেওয়াটা জরুরি বলে মনে করি। দেশে মানুষের বিনোদনের বড় সংকট রয়েছে। খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে মননশীলতার বিকাশ ঘটানো সারা বিশ্বে সবচেয়ে কার্যকর পন্থা।
ব্যান্ড সংগীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭৯-৮০ সালে তিনি চট্টগ্রামের সংগীতশিল্পীদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেখানে উপস্থিত অনেকেই পরবর্তীতে দেশবরেণ্য তারকায় পরিণত হন। শহীদ জিয়া দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের পাশাপাশি পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্রের চর্চার ওপর গুরুত্ব দেন এবং আমদানি কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করেন। এর ফলে নব্বইয়ের দশকে ব্যান্ড সংগীতে বিপ্লব ঘটে।
বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্রের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি। আসিফ বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে পূর্বে আরোপিত ৫ শতাংশ শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সংগীতের ভৌতিক পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্রের চর্চাও প্রয়োজন, যা আমাদের সংগীতের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করবে।
বিশ্বের সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, চলমান ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮টি দেশের মধ্যে ১৩টি দেশই মুসলিম। বিশ্বের প্রায় সব মুসলিম দেশেই সংগীত, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা নিয়মিত হয়। তাই পশ্চাৎপদতার দিকে ধাবিত না হয়ে বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেই দেশকে সমৃদ্ধ করতে হবে।
বিনোদনের উন্নয়নে সরকারের প্রতি আশা প্রকাশ করে আসিফ আকবর বলেন, আমাদের শিশুদের মৌলিক অধিকার বিনোদন। সুস্থ ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে বিনোদনের কোনো বিকল্প নেই। আশা করি বর্তমান সরকার মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে সারা দেশে শক্তিশালী ও টেকসই সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সূচনা করবে।